জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরে গৃহবধূ হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া, কিশোরী অপহরণের অপর এক মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একজনকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
স্ত্রী হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন- হাফিজুল (৩৫)। সে বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর গ্রামের মৃত প্রধানের ছেলে। অপহরণ মামলায় সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- শামীম (৩৩), সাদেক (৩৭) এবং জালাল মিয়া(৪০)। তারা জামালপুর সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ও বিষ্ণুপুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে ।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক বলেন, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সকালে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ হনুফা বেগমকে মারধর করে হত্যা করে স্বামী হাফিজুল। খবর পেয়ে গৃহবধূর পরিবার ভোলা থেকে এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ওই বছর ১৯ সেপ্টেম্বর বকশীগঞ্জ থানায় নিহত গৃহবধূর মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত গৃহবধূর স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে খালাস প্রদান করেন।
অপহরণ মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকালে সেই সময়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী কিশোরী বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় হরিপুর এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করে আসামিরা। এই ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে জামালপুর থানায় অভিযোগ করলে গাজীপুর জেলা থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই মামলায় সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত তিনজনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয় এবং আসামি জালালকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদানের আদেশ দেন ।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব