| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কে দেড় বছরে ৬২ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫ জন

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১০, ২০২৬ ইং | ০৪:২৬:১৪:পূর্বাহ্ন  |  ৭৫৬৭৯৬ বার পঠিত
রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কে দেড় বছরে ৬২ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫ জন

সৈকত শতদল, রাজবাড়ী: রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক যেন ফাঁদে পরিণত হয়েছে। গত দেড় বছরে মহাসড়কটির রাজবাড়ী শহর থেকে পাংশা উপজেলার শিয়ালডাঙ্গি পর্যন্ত ৩১ কিলোমিটার অংশে ৬২টি সড়ক দুর্ঘটনা  ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫ জন। আহত হয়েছেন আরও ১১৫ জন।

পাংশা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আল মামুন এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মহাসড়কে তিন চাকার যানবাহনের অবাধ চলাচল, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত গতি ও ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাই দুর্ঘটনার  অন্যতম কারণ।

গত ১২ জুন থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত সময়েই রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের ওই অংশে অন্তত সাতটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায়  পাঁচজন নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

গত ১২ জুন কালুখালীতে প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত রিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে  শিশু নিহত ও পাঁচজন আহত হন।

২২ জুন কালুখালীতে ট্রাক ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হন। একই দিনে পাংশায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে  তিনজন আহত হন।

২৯ জুন কালুখালীতে ট্রাক ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে  এক কৃষি কর্মকর্তাসহ ছয়জন আহত হন।

এরপর ১ জুলাই কালুখালীতে বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে  নিহত হন। পরদিন চন্দনী এলাকায় মুরগিবাহী পিকআপ ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘ*র্ষে একজন নিহত ও একজন আহত হন।

সর্বশেষ ৩ আগস্ট কালুখালীতে গোল্ডেন লাইন পরিবহন ও মাহেন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক জন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হন।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক, নছিমন, করিমন ও ভটভটিসহ বিভিন্ন ধরনের তিন চাকার যানও রয়েছে।

এ ছাড়া যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের চালকদের অনেকেই সড়কের নিয়ম না মেনে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং করছেন। এর সঙ্গে রয়েছে বেপরোয়া গতি। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

পাংশা হাইওয়ে থানার ওসি সৈয়দ আল মামুন বলেন, অধিকাংশ দুর্ঘটনার পেছনে তিন চাকার যানবাহনের চলাচল, ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং অতিরিক্ত গতির ভূমিকা রয়েছে। অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গেলে অনেক সময় ‘মব কালচারের’ কারণে বাধার মুখে পড়তে হয়।

তিনি বলেন, “তারপরও হাইওয়ে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।”

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪