| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মিশুক ছিনতাই করতেই চালককে হত্যা, দুইজন গ্রেপ্তার

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১০, ২০২৬ ইং | ০৫:০২:৪২:পূর্বাহ্ন  |  ৪৭৩০ বার পঠিত
মিশুক ছিনতাই করতেই চালককে হত্যা, দুইজন গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মিশুকচালক ওয়ালি উল্লাহ (২০) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়া মিশুক ও নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে সংস্থাটি।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

পিবিআই জানায়, গত ৫ জুলাই অসুস্থ বাবার পরিবর্তে মিশুক চালাতে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ওয়ালি উল্লাহ। তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ৬ জুলাই সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। একই দিন আড়াইহাজার উপজেলার উচিতপুরা ইউনিয়নের গ্রুপদী গ্রামের একটি নির্জন স্থান থেকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নসহ ওয়ালি উল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা হারুন রশিদ অজ্ঞাতনামা ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

পিবিআই জানায়, তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন রুট বিশ্লেষণ করে গত ২ আগস্ট সোনারগাঁ থেকে আওলাদ হোসেন (২৬) ও শাহিনকে (৩১) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৬ আগস্ট শাহিনের বাড়ি থেকে নিহতের ব্যবহৃত স্যামসাং মুঠোফোন ও একটি বাংলালিংক সিম উদ্ধার করা হয়। পরদিন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার ভবেরচর এলাকা থেকে ছিনতাই হওয়া মিশুকটি উদ্ধার করা হয়।

পিবিআই আরও জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামিসহ ৪ থেকে ৫ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ চক্র বারদী অটোস্ট্যান্ড থেকে পরিকল্পিতভাবে মিশুক ভাড়া করে আড়াইহাজারের সুলতানশাদী বাজারে যায়। ফেরার পথে গ্রুপদী গ্রামের একটি নির্জন স্থানে চালক ওয়ালি উল্লাহকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তাঁর মিশুক ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয় চক্রটি। পরে মিশুকটি ভবেরচর এলাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়।

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে গত ৮ আগস্ট আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় শাহিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন।

পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ (বিপিএম) বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য ও ধারাবাহিক তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪