| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইরানের শীর্ষ শিয়া ধর্মগুরুর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফতোয়া

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ৩০, ২০২৫ ইং | ০৫:৩২:০৭:পূর্বাহ্ন  |  761741 বার পঠিত
ইরানের শীর্ষ শিয়া ধর্মগুরুর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফতোয়া
ছবির ক্যাপশন: ইরানের শীর্ষ শিয়া ধর্মগুরুর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফতোয়া

আশিস গুপ্ত:

ইরানের শীর্ষ শিয়া ধর্মগুরু গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে একটি 'ফতোয়া' বা ধর্মীয় নির্দেশ জারি করেছেন। এই ফতোয়ায় তাদের "আল্লাহর শত্রু" বলে অভিহিত করা হয়েছে। গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ মাকারেম শিরাজি বিশ্বের সমস্ত মুসলমানদের প্রতি আমেরিকান ও ইসরায়েলি নেতাদের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বকে হুমকির মুখে ফেলার জন্য একত্রিত হয়ে তাদের পতন ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাকারেম তার ফতোয়ায় বলেছেন, "যেকোনো ব্যক্তি বা শাসকগোষ্ঠী যারা নেতা বা মারজাকে হুমকি দেয়, তাদের 'যুদ্ধবাজ' বা 'মোহারেব' বলে গণ্য করা হবে।"

ফক্স নিউজের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, 'মোহারেব' এমন ব্যক্তি যিনি আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। ইরানের আইন অনুযায়ী, 'মোহারেব' হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড, ক্রুশবিদ্ধকরণ, অঙ্গচ্ছেদ বা নির্বাসনের সম্মুখীন হতে হতে পারে।

ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, "মুসলিম বা ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোর দ্বারা সেই শত্রুর প্রতি যেকোনো সহযোগিতা বা সমর্থন 'হারাম' বা নিষিদ্ধ। বিশ্বের সকল মুসলমানের জন্য এই শত্রুদের তাদের কথা ও ভুলের জন্য অনুতপ্ত করা আবশ্যক।"

ফতোয়াটিতে আরও বলা হয়েছে যে, যদি "কোনো মুসলিম তার মুসলিম দায়িত্ব পালনে এই অভিযানে কষ্ট বা ক্ষতির সম্মুখীন হন, তবে আল্লাহ চাইলে তারা আল্লাহর পথে একজন যোদ্ধা হিসেবে পুরস্কৃত হবেন।"

এই ধর্মীয় ফরমানটি ১২ দিনের যুদ্ধের পর জারি করা হলো, যা ১৩ই জুন শুরু হয়েছিল। ওই দিন ইসরায়েল ইরানে বোমা হামলা শুরু করে, যেখানে দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীরা নিহত হন। তেহরান এর জবাবে ইসরায়েলি শহরগুলোতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইসরায়েল দাবি করে যে তারা ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে চাইছে – যদিও তেহরান বরাবরই এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা অস্বীকার করে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর এই সংঘাতের চূড়ান্ত পর্যায় আসে, যার প্রতিক্রিয়ায় ইরান কাতারে অবস্থিত একটি আমেরিকান সামরিক ঘাঁটিতে বোমা বর্ষণ করে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪