| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হতদরিদ্র সেই শিক্ষার্থীর পাশে ডিসি মাহবুবউল করিম

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ০৮, ২০২৬ ইং | ২১:৩৯:৫৬:অপরাহ্ন  |  ৮১৯ বার পঠিত
হতদরিদ্র সেই শিক্ষার্থীর পাশে ডিসি মাহবুবউল করিম

দাগনভূঞা প্রতিনিধি: দাগনভূঞা একাডেমির হতদরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী ইসমাইল হোসেন নিবিরের পাশে দাঁড়ালেন ফেনী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। ওই শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপকরণ, বইপত্র, ড্রেস,ব্যাগসহ যাবতীয় উপকরণ প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে ফেনী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ওই শিক্ষার্থীর হাতে এসব উপহার তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। এসময় উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহীদুল ইসলাম ও ওই শিক্ষার্থীর পিতা মোঃ সুজন।

এর আগে ফেনী সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় খরচের ব্যবস্থা করে দেন জেলা প্রশাসক।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থী ইসমাইলের পিতা মোঃ সুজন একজন ভ্রাম্যমান ফেরিওয়ালা। ইসমাইল এবার এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে জিপিএ ৫ অর্জন করে। তবে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জনের পরও তার মুখে ছিল না স্বস্তির হাসি। সামনে কলেজে ভর্তি, বই-খাতা, পোশাক ও যাতায়াতের খরচ কীভাবে জোগাড় হবে- তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে মেধাবী এই শিক্ষার্থীর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে ফেনী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের নজরে আসলে দাগনভূঞার ইউএনও মোঃ শাহীদুল ইসলামকে খোঁজখবর নিতে বলেন। পরে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় খরচের ব্যবস্থা করে দেন জেলা প্রশাসক।

শিক্ষার্থী ইসমাইলের পিতা দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ভ্রাম্যমাণ ফেরি করে বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে ৪ সদস্য পরিবারের খরচ চালানো কষ্টসাধ্য। তার অপর ছেলেটিও দাগনভূঞা একাডেমিতে পড়ে। তাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার হাট ভোগদিয়া এলাকায়। তারা দীর্ঘদিন যাবত দাগনভূঞা পৌর শহরের বেতুয়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।

শিক্ষার্থী ইসমাইল বলে, জেলা প্রশাসক স্যার ও দাগনভূঞার ইউএনও স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। জেলা প্রশাসক স্যার ও ইউএনও স্যারের সহযোগিতায় আমি ফেনী সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছি। আজ শিক্ষা উপকরণ বইপত্র, ড্রেস, জুতাসহ অন্যান্য উপকরণ পেয়েছি। এছাড়া  বাবা-মা ও আমার বিদ্যালয়ের স্যাররা আমাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। আমার স্বপ্ন আমি উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে চাই এবং ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন আগে থেকেই। আমি চাই লেখাপড়ার পাশাপাশি মানুষের সেবা করতে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

ইসমাইলের পিতা মোঃ সুজন আবেগ আপ্লূত হয়ে বলেন, আমার ছেলে কঠোর পরিশ্রম করে জিপিএ ৫ পেয়েছে। আমি আনন্দিত। জেলা প্রশাসক স্যার ও ইউএনও স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি পাশাপাশি অত্র বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের কাছে আজীবন ঋণী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীদুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের ঐকান্তিক সহযোগিতায় শিক্ষার্থী ইসমাইল হোসেন নিবির কলেজে ভর্তিও হয়েছে এবং বইপত্রসহ যাবতীয় শিক্ষা উপকরণ পেয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪