| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ময়মনসিংহে সাদ্দাম হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ১১, ২০২৬ ইং | ২২:৩৪:১৯:অপরাহ্ন  |  ৯৪৬ বার পঠিত
ময়মনসিংহে সাদ্দাম হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ আসাদুজ্জামান নূর সাদ্দাম হোসেন হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় সাদ্দামকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্ত্রী ও মা। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। রোববার ১১ অক্টোবর সকালে ময়মনসিংহ নগরীর ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বরে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

মানববন্ধনে নিহতের স্ত্রী পুষ্প কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন “আমি এবং আমার ছেলের সামনেই তারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমার সন্তানকে তারা এতিম করেছে, আমাকে বিধবা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই। নিহতের মা আছমা অভিযোগ করে বলেন, একটি মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টার প্রতিবাদ করায় তাঁর ছেলেকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ছেলের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। তবে হত্যার কারণ নিয়ে অন্য একটি প্রতিবেদনে মাদকসংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ বিরোধের কথাও বলা হয়েছে। প্রকৃত কারণ নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনেরা।

নিহতের ভাই প্রান্ত বলেন, “আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আমার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক। আমরা ভাইকে হারিয়েছি, আমাদের পরিবার আজ অসহায়। আমি আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার চাই।

নিহত সাদ্দাম হোসেন নগরীর আকুয়া ভাঙ্গাপুল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

নিহতের মা আছমার দায়ের করা এজাহারে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরোও চার-পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। নাম উল্লেখ করা ব্যক্তিরা হলেন—মোঃ অন্তর মিয়া (২৫), বিল্লাল হোসেন (৫০), নূরনাহার (৩০), রাব্বি হোসেন (৩২) ও রাফেল (৩৮)। এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর দুপুরে নগরীর আকুয়া উত্তরপাড়ায় একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় সাদ্দামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর অন্তর মিয়াকে আটক করে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। 

এ বিষয়ে জানতে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪