| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কালিহাতীতে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ, ঘর-বেড়া ভেঙে লাশ দাফন

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ১৩, ২০২৬ ইং | ১৪:৩৭:৪৫:অপরাহ্ন  |  ৬৪ বার পঠিত
কালিহাতীতে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ, ঘর-বেড়া ভেঙে লাশ দাফন

কালিহাতী(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে কবরস্থানে যাওয়ার চলাচলের পথ বন্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। 

এতে এক ব্যক্তির মরদেহ দাফনের জন্য নিয়ে যেতে বাধার মুখে পড়েন স্বজনরা। পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে রাস্তার ওপর থাকা একটি ঘরের অংশ ও টিনের বেড়া ভেঙে পথ তৈরি করা হলে মরদেহ দাফন করা সম্ভব হয়।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের বিলপালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত আব্দুল সালাম (৬০) ওই গ্রামের একাব্বর আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে ঘাটাইল উপজেলায় অসুস্থ অবস্থায় মারা যান আব্দুল সালাম। পরে স্বজনরা তাঁর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন। রাতে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পরদিন সকালে মরদেহ দাফনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময়ও চলাচলের পথ বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

গ্রামের মাতবর মোজাফফর হোসেন জানান, কবরস্থানে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিবেশীদের কাছে রাস্তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে তাতে সাড়া পাওয়া যায়নি।

মৃতের ভাই পুলিশ সদস্য আবু সাঈদ বলেন, পরে এলাকাবাসীর সহায়তা চাওয়া হলে স্থানীয়রা একত্রিত হন। তাঁদের উদ্যোগে রাস্তার মাঝখানে থাকা ঘরের অংশ ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর মরদেহ কবরস্থানে নিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বিলপালিমা বর্তা বিলের চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। এ বিরোধের জেরে প্রায় দুই বছর ধরে গ্রামের মোতাহের মাস্টার, কবির, মজিদ ও কাশেমের লোকজন রাস্তা বন্ধ করে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বাংড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহজালাল বলেন, রাস্তার ওপর ঘর নির্মাণ করায় মরদেহ নিয়ে কবরস্থানে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। পরে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা ঘরের অংশ ভেঙে পথ তৈরি করেন। এরপর মরদেহ দাফন করা হয়।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলে তিনি শুনেছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ লোকজন ঘর ভেঙে পথ তৈরি করে মরদেহ দাফন করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪