রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টায় আদালতে তোলা হয় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে। রিমান্ড শুনানিতে তিনি আদালতে বলেন, আমাকে যারা নির্দিষ্ট দলের গোলাম বানাতে চায়, এটা তাদের সমস্যা। ড. ইউনূস চাইলে সারা বাংলাদেশকে কারাগার বানাতে পারেন।
পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান রিমান্ডের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বিকাল ৫টা ৮ মিনিটে আনিস আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।
আদালতে আনিস আলমগীর বলেন, আমি সাংবাদিক। ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা আমার কাজ। দুই যুগ ধরে আমি এই কাজ করে আসছি। আমার কাজ কারও কাছে নতজানু হয় না। আমার ফেসবুকে সব বক্তব্য প্রকাশিত, এখানে কোনও অপ্রকাশিত কিছু নেই। আমি ড. ইউনূসের বাড়ি আক্রমণের বিষয়টি বলেছি, কিন্তু সেটি প্রতিহিংসার রাজনীতি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। জুলাইয়ের স্পিরিট কীভাবে পুনরায় জাগাতে হবে, সেই বিষয়েও আমরা কথা বলেছি। আমার সঙ্গে কারও যোগসূত্র নেই। আমার ভুল কী হয়েছে, আমি জানি না।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর আনিস আলমগীরকে রাজধানীর মিন্টো রোড থেকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়। আনিস জানিয়েছেন, তাকে ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ডিবিতে নেওয়া হয়। রাত আটটার দিকে তিনি পৌঁছান, এবং ডিবি প্রধান তার সঙ্গে কথা বলেন।
ডিবিপ্রধান মো. শফিকুল ইসলাম সোমবার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামের সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ রাত ২টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানায় এই মামলা করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি