| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ময়মনসিংহে দাখিল পরীক্ষার কৃষি বিষয়ে প্রশ্নপত্রের বিভ্রাট

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১৩, ২০২৬ ইং | ২০:২৭:৪৬:অপরাহ্ন  |  ১০৬৫ বার পঠিত
ময়মনসিংহে দাখিল পরীক্ষার কৃষি বিষয়ে প্রশ্নপত্রের বিভ্রাট

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের দাখিল পরীক্ষায় কাতলাসেন কাদেরিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ও কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতা কৃষি বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে জটিলতায় তিনটি মাদরাসার নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

মঙ্গলবার (১২ মে) কেন্দ্রটিতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত কৃষি বিষয়ের পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরিবর্তে অনিয়মিত সেটের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। এতে পরীক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং সঠিকভাবে পরীক্ষা দিতে ব্যর্থ হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এক পরীক্ষার্থী বলেন, “আমরা নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিলাম। কিন্তু পরীক্ষার হলে গিয়ে দেখি আমাদেরকে অনিয়মিত কৃষি বিষয়ের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছে। শুরুতে কিছু বুঝতে পারিনি, পরে দেখি প্রশ্ন সিলেবাসের সঙ্গে মিলছে না। বিষয়টি জানানো হলেও কোনো সমাধান হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, এভাবে পরীক্ষা দেওয়ায় আমরা মানসিকভাবে চাপে পড়েছি। আমাদের ভবিষ্যৎ ফলাফলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আমরা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়সঙ্গত সমাধান চাই।

পরীক্ষার কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক আব্দুস সাত্তার বলেন, কৃষিশিক্ষা পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে হঠাৎ অন্য রুম থেকে অভিযোগ শুনতে পাই নিয়মিত শিক্ষার্থীদেরকে অনিয়মিত কৃষি শিক্ষা প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে। পরে পরীক্ষা শেষে কয়েকজন শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের রুমে গিয়ে বিষয়টি অবগত করেছেন। আমাদের পরীক্ষা শুরুর কয়েক মিনিট আগে প্রশ্ন দেয় আমরা তা শিক্ষার্থীদের দিয়ে দেই। আমাদের পুরোটা দেখার সময় থাকে না‌‌। 

তিনি আরও জানান, একই কেন্দ্রে গোস্টা দাখিল মাদরাসা, ডি এস কামিল মাদরাসা ও গোপালনগর মাদরাসার শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় এবং নিয়মিত-অনিয়মিত উভয় ধরনের শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় ছিল।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কাতলাসেন কাদেরিয়া কামিল (মাস্টার্স) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন (আজিজী) বলেন, কেন্দ্র সচিব যখন বহিস্কার হয় তখন তো আপনারা রিপোর্ট করেন না, এই ছোট একটা বিষয়ে আপনাদের রিপোর্ট করতে হয়‌। এটা তো মনে হচ্ছে উদ্দেশ্য প্রনীত। এটা একটা টেকনিক্যাল প্রব্লেম হয়েছে, বোর্ডে কথা বলেছি সলফ হয়ে যাবে। তিনি আরোও বলেন, আপনারা ছোট অপরাধের জন্য ফোন করেন।বলেই ফোন কেটে দেন। 

এদিকে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত,  জড়িতদের চিহ্নিতকরণ এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু  

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪