| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যাহত, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১৭, ২০২৬ ইং | ০৮:৫০:২২:পূর্বাহ্ন  |  ৩২৮২২৫ বার পঠিত
যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যাহত, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড

বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরসহ ৬টি উপজেলা জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরুতেই তীব্র খরতাপে পুড়ছে প্রাণ-প্রকৃতি। গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত হতে শুরু করেছে জনজীবন। শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার আগুনে পুড়েছে যশোর।

শনিবারও তাপপ্রবাহ অব্যাহত ছিল। তবে এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে খুলনায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে চৈত্রের শেষভাগ এবং বৈশাখেও কয়েক দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করেছে যশোরে। শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর শনিবার যশোরে এই তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার দেশের ১৪টি জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। আগামী দুই-এক দিন এই তাপপ্রবাহ থাকতে পারে। তবে এ সময় দেশের কিছু স্থানে বৃষ্টিও হতে পারে। শনিবার খুলনা বিভাগের সব জেলায় এবং মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী ও পাবনা জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। খুলনা বিভাগের জেলার সংখ্যা ১০টি। এর সঙ্গে বাকি চারটি মিলিয়ে মোট ১৪ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে।

যশোর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণাধীন আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, এই তাপপ্রবাহে যশোরে প্রাণ-প্রকৃতি দগ্ধ হতে শুরু করেছে। দুপুরের দিকে রাস্তা, ঘাট ও ফসলের ক্ষেতে চোখ ঝলসানো উত্তাপ বিরাজ করছে। ঘরের বাইরে বের হলেই গরমের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে। শ্রমজীবী মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। স্বস্তির জন্য কেউ রাস্তার পাশে ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছেন, কেউ মুখে পানি দিয়ে শরীর ঠান্ডা করার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ শরবত, আখের রস ও স্যালাইন পানি পান করছেন।

যশোর শহরের লালদীঘিপাড়ে আখের রস বিক্রেতা করিম শেখ বলেন, প্রচণ্ড গরমে অনেক মানুষ আখের রস খেতে আসছেন। তবে রোদে দাঁড়িয়ে থাকা কষ্টকর হয়ে গেছে, তাই ছায়ায় দাঁড়িয়ে রস বিক্রি করতে হচ্ছে।

যশোর শহরের রেলগেট এলাকার রিকশাচালক ফারুক মিয়া বলেন, প্রচণ্ড গরমে গায়ে আগুনের মতো লাগে। একটু চালালেই ঘামে ভিজে যাচ্ছি, মাথা ঘুরে আসে।

দড়াটানা এলাকার রিকশাচালক হোসেন মিয়া বলেন, গরমে রিকশা চালানো খুব কষ্টকর। তবুও চালাতে হচ্ছে, কিন্তু যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। ভাড়া নিয়ে গেলে খালি ফিরে আসতে হচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে সেখানে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে ধরা হয়।

রিপোর্টার্স/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪