| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

৫৫ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি দৌলতপুরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১৭, ২০২৬ ইং | ১২:৩৭:১৫:অপরাহ্ন  |  ৩২৫৫২৪ বার পঠিত
৫৫ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি দৌলতপুরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া)প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার সীমান্তবর্তী বৃহৎ উপজেলা দৌলতপুর, যার আয়তন ৪৬৮ বর্গ কিলোমিটার। এখানে প্রায় ৭ লাখ মানুষের বসবাস। ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপিত হয়নি। ফলে প্রতিবছর অগ্নিকাণ্ডে কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হচ্ছে, ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত মানুষ।

এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি—দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করে জনদুর্ভোগ লাঘব করা হোক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দৌলতপুর সীমান্তবর্তী উপজেলা হলেও এখানে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও কৃষি খামার রয়েছে। কিন্তু ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় আগুন লাগলে পাশের উপজেলার স্টেশনে খবর দেওয়া হয়। ততক্ষণে অনেক সময় ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়।

জানা গেছে, শুধু চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই অন্তত ১৫ থেকে ১৬টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ফসলি জমি, তামাকঘর, বসতবাড়ি ও সম্পদ পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গবাদিপশুর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এতে অনেক কৃষক সর্বস্বান্ত হয়েছেন।

২০২২ সালে দৌলতপুর সদর ইউনিয়নের চুয়ামল্লিকপাড়া গ্রামের প্রয়াত সমাজসেবিকা হাসিনা বানু ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জন্য ৮২ শতক জমি দান করেন। সেখানে সাইনবোর্ডও টাঙানো হয়। কিন্তু চার বছর পার হলেও এখনো সেখানে কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। পুকুর ভরাটের অজুহাতে প্রকল্পটি আটকে আছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য গুহ জানান, ফায়ার সার্ভিসের জন্য জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সেখানে পুকুর থাকায় সেটি ভরাট করতে অতিরিক্ত বাজেট প্রয়োজন। বাজেট বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. ওয়াদুদ হোসেনও একই কথা বলেন। তিনি জানান, জমিতে বড় পুকুর রয়েছে, তা ভরাট করতে হবে। বাজেট পেলে স্টেশনের কাজ শুরু করা হবে। বর্তমানে নিয়োগপ্রাপ্তরা কুষ্টিয়া ও অন্যান্য স্টেশনে দায়িত্ব পালন করছেন।

কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, অনেক আগেই এখানে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন হওয়া উচিত ছিল। জমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শুরু হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, তারা আর আশ্বাস নয়, দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ ও বাস্তবায়ন চান, যাতে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমে আসে।


রিপোর্টার্স/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪