| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সড়কের নির্মাণ কাজ রেখে লাপাত্তা ঠিকাদার

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২০, ২০২৬ ইং | ১৭:১১:৫২:অপরাহ্ন  |  ৯৭৯ বার পঠিত
সড়কের নির্মাণ কাজ রেখে লাপাত্তা ঠিকাদার

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের মাছুয়াখাল-চারটভাঙা এবং খর্গপুর থেকে মেহরন দালাল বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু করে দীর্ঘ প্রায় চার বছর ধরে লাপাত্তা রয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন। এতে এলাকার প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, সড়কটি আগে ইটের হেরিংবোন বন্ড ছিল। ২০২৩ সালে তিন কিলোমিটার সড়কটি দুই ভাগে নির্মাণের জন্য প্রায় ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মতলব ট্রেডিং। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মোফাজ্জল হোসেন।

২০২৩ সালের ২ মে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হলেও তারা আংশিক কাজ শুরু করে পরে অজ্ঞাত কারণে কাজ ফেলে চলে যায়। উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ একাধিকবার চিঠি দিয়েও তাদের দিয়ে কাজ শেষ করাতে পারেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ উপজেলা ও জেলা সদরে যাতায়াত করেন। এছাড়া কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের চলাচল এবং জেলার ঐতিহ্যবাহী মেহরন দালাল বাড়ির মন্দিরে আগত ভক্তদের যাতায়াতেও এ সড়ক ব্যবহৃত হয়। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শোয়েব প্রধান বলেন, “চার বছর আগে রাস্তার কাজ শুরু হলেও তা আর শেষ হয়নি। রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম কষ্ট হচ্ছে।”

কাজিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা জব্বার পাঠান বলেন, “সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। দ্রুত কাজ শেষ করা প্রয়োজন।”

কৃষক মোহাম্মদ আলী বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে শত শত কৃষক ফসল পরিবহন করেন। কিন্তু রাস্তার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।”

অটোরিকশা চালক ইদ্রিস বলেন, “যাত্রী নিয়ে চলাচল খুবই কষ্টকর। প্রায়ই গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।”

স্থানীয় ইজিবাইক চালক সমুন চন্দ্র দাস বলেন, “নির্বাচনের সময় অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এখন আর কাউকে দেখা যায় না।”

এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান বলেন, “জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঠিকাদারকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাকে না পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী চুক্তি বাতিল করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে ঠিকাদার মোফাজ্জল হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪