| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মিরপুরের ঘটনায় দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর শাস্তি চাইলেন জামায়াত আমির

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ইং | ১৫:১৭:২৪:অপরাহ্ন  |  ২৯৪ বার পঠিত
মিরপুরের ঘটনায় দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর শাস্তি চাইলেন জামায়াত আমির

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে এ দাবি করেন তিনি।

পোস্টে তিনি বলেন, 'মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১ এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে লুটপাট চালানোর পর সেটি গুঁড়িয়ে দেয়।'

তিনি বলেন, 'এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর। রাতের আঁধারে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে রহস্যজনক একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।'

পোস্টে বলা হয়, 'কোথায় প্রশাসন, কোথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী? এর পেছনে কারা রয়েছে, তা আর মোটেই অস্পষ্ট নয়। তাদের পেটের ক্ষুধা কোনোভাবেই নিবারণ হচ্ছে না। তারাই জনগণের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার এই সুযোগটিকে নিশ্চিহ্ন করে দিল।'

জামায়াতের আমির বলেন, 'সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। অন্যদিকে চলছে এই খেলা।'

তিনি বলেন, 'আর কত দিন এ ধরনের খেলা চলবে? দুষ্কৃতিকারীদের অবশ্যই খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে একসময় জনগণের হাতেই তাদের শাস্তি পেতে হবে।'

উল্লেখ্য, রাজধানীর মিরপুরে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার নামের একটি বেসরকারি এনজিওর ক্লিনিক ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় রাড্ডার নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার বাদী হয়ে শাহ আলী থানায় মামলা করেন। মামলায় মিরপুরের বিএনপি নেতা মো. হানিফ মিয়ার নাম উল্লেখ করে ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে বলে গতকাল পুলিশ জানিয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ, চুরি, হুমকি ও দেড় কোটি টাকার বেশি ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। 

হানিফ মিয়া অবশ্য ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এদিকে, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে শাহ আলী থানা পুলিশ। তবে ভাঙচুরের সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত ছিল, এ কথা স্বীকার করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন।

ঘটনার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কেন কাউকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়নি, এমন প্রশ্নে অবশ্য স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। শনিবার দুপুরে চারজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করলেও তাদের পরিচয় জানায়নি পুলিশ।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম  

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪