শুধু বিএনপিই নয়, জামায়াতেও চাঁদাবাজ রয়েছে। কিন্তু বিএনপিকে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজ ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে, প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। বিএনপি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার পরেও দলটিকে টার্গেট করেই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এক টক শোতে হাজির হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
পুষ্টিমানের দিক দিয়ে মলা মাছ একটি আদর্শ মাছ।আমাদের দেশের অঞ্চল ভেদে মলা মাছ বিভিন্ন নামে পরিচিত। তার মধ্যে ময়া মোয়া, মকা, মৌকা, মুদে, মোলঙ্গী, মৌরালা, মলেন্দা ও মৌচি নামে পরিচিত। মলা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Amblypharyngodon microlepis. এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ,ডি,ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,ফসফরাস, আয়রন সহ অনেক খনিজ পদার্থ থাকে।
১৯৭২ সালের পর থেকে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে যখন ক্রমবর্ধমানভাবে অস্বাভাবিক মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছিল। ঠিক তখই প্রখ্যাত বাম রাজনীতিক ও সাংবাদিক নির্মল সেন প্রশ্ন তুলেছিলেন যে এমন একটি দেশে স্বাভাবিক মৃত্যুর জন্যও প্রার্থনা করতে হবে কিনা ? সেই সময়টা তিনি কলাম লিখেছিলেন "স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই" । এই স্লোগানটি শুধুমাত্র নির্মল সেনের ব্যক্তিগত উদ্বেগ ছিল না, বরং এটি সাধারণ মানুষের উদ্বেগ ও হতাশারও প্রতিচ্ছবি ছিল
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ বলেছেন, এনসিপির জন্য প্রতিদিনই হতাশার খবর আসছে। সর্বশেষ রাজশাহীর এনসিপি’র যুগ্ম সমন্বয়ক শামীমা সুলতানা পদত্যাগ করেছেন। এগুলোর একটা প্রভাব আছে। ডাকসু নির্বাচনে পরাজয়।
১৯৬২ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস। শিক্ষার অধিকার আদায়ে এই দিনেই ঢাকার রাজপথে তৎকালীন পাকিস্তানী শাসকগোষ্টির পুলিশের গুলিতে জীবন উৎস্বর্গ করেছিল মোস্তফা ওয়াজিল্লাহ, বাবুল প্রমুখ ছাত্র নেতারা। পাকিস্তানের সামরিক শাসক ফিল্ডমার্শাল আইয়ুব খানের শাসনামলে শরীফ কমিশনের নেতৃত্বে একটি শিক্ষানীতি প্রনয়ণ করা হয়েছিল।
নেপালের প্রধানমন্ত্রীও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তবে সেখানে স্টুডেন্টরা পলিটিক্যাল পার্টি করতে যায়নি। ছাত্ররা দল না করলে অভ্যুত্থানের চেতনা নষ্ট হয়ে যাবে এমন বয়ান ওঠেনি। বরং তারা পড়ার টেবিলে ফিরে গেছে। সম্প্রতি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের একটি টক শোতে এসব কথা বলেন বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা।
মগের মুল্লুকের মতো মবের মুল্লুক নামে আরো একটি কুখ্যাত বাগধারার কবলে পড়েছে দেশ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি।
বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই খবর থাকে। বিশেষ করে দূরপাল্লার দ্রুতগতির বাস দুর্ঘটনার খবর এখন যেন অস্বাভাবিক কিছু নয়, বরং দুঃখজনক এক দৈনন্দিন বাস্তবতা। একেকটি দুর্ঘটনা ঘটলেই কয়েক মিনিটের মধ্যে বহু পরিবার স্বজনহারার বেদনা নিয়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। আর যারা বেঁচে যান, তাদের অনেকে আজীবন পঙ্গুত্ব বরণ করেন।
কেউ কেউ আওয়ামী লীগের লোকজনের সঙ্গে মিশে তাদের সম্পত্তি-ব্যবসার ভাগ বিদেশে পাঠাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন। তিনি এসব ব্যক্তিদের সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো দিন ফিরে এলে তোমাদের হাড্ডিও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদলের ভরাডুবির কারণ রাজনৈতিক কৌশলে পিছিয়ে থাকা ও বিভিন্নরকম প্রতিকূলতা মোকাবেলা করা। অন্য কারণ খুঁজে লাভ নেই। এমনকী সামনে জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতও কৌশলের সঙ্গে লড়বে। তারা ইতোমধ্যেই ডিজিটাল মাঠে এগিয়ে আছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে বিএনপি যতটা রিল্যাক্স মুডে ছিল জাতীয় নির্বাচনে এমনটা হবে না।
চিকিৎসক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ বলেছেন, যদি এই দেশকে রক্ষা করতে চায়, দেশের গণতন্ত্রের যে উত্তরণ সেটা যদি সুসংহত করতে চায়, যদি এই উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা নিজেরা নিরাপদে এক্সিট করতে চান, যদি দেশের মধ্যে গৃহযুদ্ধ লাগাতে না চান, যদি দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিতে চান— তাহলে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচন হতেই হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেছেন, চট্টগ্রাম, রাজশাহী আর ময়মনসিংহ তিন শহরের তিন ক্যাম্পাসের টানা ধাক্কা খেয়ে দেশের রাজনীতি যেন নতুন করে হাঁপাচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর দফায় দফায় সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা, ক্লাস পরীক্ষা স্থগিত। রাজশাহীতে রাকসু ভোটার তালিকায় প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তালাবদ্ধ প্রশাসনিক দপ্তর। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছয় দফা, রেললাইন অবরোধ, হল না ছাড়ার ঘোষণা— সবকিছু মিলিয়ে শিক্ষাঙ্গনের তাপমাত্রা এখন জাতীয় রাজনীতির থার্মোমিটারে সরাসরি ওঠানামা করছে।
ডাকসু নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভরাডুবি এবং জাকসু নির্বাচনে ভোট বর্জন সংগঠনের দুর্বল সাংগঠনিক চিত্র ফুটে উঠেছে। এর সাথে সংগঠনটির অভিভাবক বিএনপির নীতিনিধারকদের চিন্তা ও কৌশল নিধারণে চরম ব্যর্থতার প্রমাণিত সত্যে পরিণত হয়েছে।
ডাকসু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এনসিপি নাই হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ।
নীলা লেখেন, ‘যে দেশে নারীদের সম্মান নাই, সেই দেশে গায়ে কাপড় চাপাইতে হইল। ভাই, প্রথমে তোর নিজের মাথা কাপড়ে মুড়িয়ে ফ্যালা, তারপর মেয়েদের মাথায় চাপাইবি।