রাজনীতির অদৃশ্য ফ্লাডলাইটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে না ফেরার পেছনে যেসব প্রশ্ন ঘুরছেে এরমধ্যে পাসপোর্ট, সরকারি প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক নিরাপত্তা, সম্ভাব্য বিদেশি চাপ এবং নেতৃত্ববদলের তত্ত্ব সোজা কথায় মাইনাস টু তত্ত্ব বিবর্তনে মাইনাস ফোর ফমূর্লা এখন আর আলাদা কোনো বিষয় নয়। এগুলো একসঙ্গে একটি বড় বাস্তবতা ইঙ্গিত করছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেতৃত্ব, নিরাপত্তা, কূটনীতি ও প্রশাসন একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে
গণতন্ত্রের প্রহরী হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যম আজ নিজেই প্রশ্নের মুখে। যে ‘চতুর্থ স্তম্ভের’ কাজ ছিল ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা, সেই স্তম্ভের কর্মীরাই কি তবে ক্ষমতার অলিন্দে আত্মসমর্পণ করছেন? ‘সাংবাদিকরাই ঢুকছে রাজনীতিবিদদের পকেটে?’ এই প্রশ্নটি এখন কেবল চায়ের দোকানের আড্ডায় সীমাবদ্ধ নয়, এটি গণমাধ্যম ও সুশীল
আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আদৌ হবে কি না এই প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে। নির্বাচন নিয়ে এমন অনিশ্চয়তা আগে থেকেছে, তবে সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি ফেসবুক পোস্ট পরিস্থিতিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সুবিধার বিস্তারের সাথে সাথে আমাদের জীবনে যেমন বহু ইতিবাচক সুযোগ তৈরি হয়েছে, তেমনই উঁকি দিয়েছে কিছু গভীর সামাজিক সংকট। এর মধ্যে অত্যন্ত আলোচিত ও দ্রুত ছড়ানো সমস্যা হলো অনলাইন জুয়া। ঘরে বসে মোবাইল স্ক্রিনে আঙুল চালালেই বিভিন্ন
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি শুধু দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীই নন, তিনি দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে 'দেশনেত্রী' হিসেবে পরিচিত। একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে বাংলাদেশের মতো একটি রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত দেশে তার এই উত্থানের গল্প অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও আলোচনার দাবি রাখে।
ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যাকে প্রতিরোধ করা যায় না, তবে প্রস্তুতি এবং সচেতনতার মাধ্যমে এর ক্ষতি কমানো সম্ভব। বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত, ফলে ভূমিকম্পের সময় সতর্কতা ও প্রস্তুতির গুরুত্ব অনেক। এই বিষয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিচে তুলে ধরা হলো।
রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আবারও প্রমাণ করলো যে এখানকার বাসিন্দাদের জীবন কতটা ঠুনকো। চোখের নিমেষে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শত শত মানুষের দীর্ঘদিনের তিল তিল করে গড়ে তোলা স্বপ্ন। শীতের রাতে খোলা আকাশের নিচে এখন শুধুই আর্তনাদ আর হাহাকার।
দেশের বন্দরগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির রক্তপ্রবাহ হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক দশকে অর্থনীতির যে উত্থান ও প্রসার, তার নেপথ্যে বড় ভূমিকা রাখছে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বন্দর। রাজস্ব আয়, পণ্যের অবাধ চলাচল আর সহনীয় ফি ও মাশুলের কারণে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের কাছে বন্দরের গুরুত্ব বাড়লেও এখন এমনভাবে তা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে যে
সাম্প্রতিক সময়ে ঘন ঘন মৃদু এবং মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে দেশ। এই কম্পনগুলো আমাদের জন্য এক সতর্কবার্তা। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে
ব্রাজিলের বেলেমে যখন কপ ৩০–এর আলোচনাগুলো একের পর এক সেশনে এগোচ্ছে, ঠিক সেই সময়েই বিশ্বের জীবাশ্ম জ্বালানি কর্পোরেশনগুলো এক অদৃশ্য কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। জলবায়ুর ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈশ্বিক নেতৃত্বরা যেখানে টানাপোড়েনের কূটনৈতিকভাবে মার্জিত বাক্য সাজাচ্ছেন, সেখানে কয়লা, তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলো নিঃশব্দে রাজনীতিকে সংগঠিত করছে—এক দীর্ঘস্থায়ী শিল্পকে মৃতপ্রায় ভবিষ্যৎ থেকে বাঁচাতে। এই লড়াই নতুন নয়, তবে কপ ৩০–এর মতো
১৭ নভেম্বর, ২০২৫ স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। ভোর বেলার প্রায় সকল গণমাধ্যমে চোখ ভোলালাম। আজ মওলানা ভাসানীরমৃত্যুবার্ষিকী সংবাদটি দেখলাম। খুটিয়ে খুটিয়ে দেখলাম ২০২৪ এর গণআন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত অর্ন্তবর্তীকালিন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাণী চোখে পড়লো না। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোন অনুষ্ঠানের বিষয়টিও চোখে পড়লো না।
উপমহাদেশ তথা বাংলার কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আজীবন গ্রাম-গঞ্জের সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের নয়নমনি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। সারা জীবনই যার সংগ্রাম ছিল মেহনতির মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে। মওলানা ভাসানী তার সুদীর্ঘ জীবনে জনসাধারণের সাথে এত গভীরভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন যে, শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা ভারতেও তার কোনো তুলনা নেই।
জুলাই সনদের সফল বাস্তবায়নে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা কিছুটা কমেছে। এখন প্রয়োজন—নির্বাচন যেন সঠিক সময়ে হয় এবং একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
৭ নভেম্বরের বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে মাওলানা ভাসানী একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং তার ভূমিকাও আলোচনার দাবি রাখে। যদিও ১৯৭৫ সালের এই দিনের ঘটনার সঙ্গে সরাসরি তার অংশগ্রহণ ছিল না, তবে তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থান এবং সংগ্রামের মধ্য
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার পরপরই বগুড়ায় ধানের শীষ আর দাড়িপাল্লার হাইভোল্টেজ লড়াই নিয়ে সারা দেশেই আলোচনা জমে উঠেছে। বগুড়ার জামায়াতে ইসলামীকে আসন্ন ভোটযুদ্ধে এবার মোকাবেলা করতে হবে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের মতো হেভিওয়েট ২ জন শীর্ষ নেতাকে।