রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় একটি বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭২) নামে এক বৃদ্ধা নারীর পচাগলা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কন্যা ড. শামারুহ মির্জা। একই সঙ্গে দেশে প্রবীণ সেবাব্যবস্থার উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেটের অবাধ স্বাধীনতা যেমন আমাদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, ঠিক তেমনি এর অন্ধকার দিকগুলো তরুণ সমাজকে গ্রাস করছে এক ভয়ানক গতিতে। এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক ও নীরব ঘাতক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে অনলাইন জুয়া বা বেটিং। এটি কেবল তরুণদের পকেট খালি করছে না, বরং একটি পুরো প্রজন্মে
কোরবানির পশুকে ঘিরে আমাদের দেশের হাটে-ঘাটে নানাবিধ চটকদার নামকরণের সংস্কৃতি নতুন নয়। কিন্তু অতি সম্প্রতি একটি অ্যালবিনো জাতের মহিষের নাম আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে রাখা এবং তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উন্মাদনা—আমাদের সমষ্টিগত অবচেতন মনের গভীর ও কুৎসিত মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতকে সামনে এনেছে।
একটি রাষ্ট্র যখন মেধার অপচয় আর মূর্খতার মহোৎসবে মেতে ওঠে, তখন তার পতন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এক অবধারিত পরিণতি। সমকালীন বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক এবং বিশেষ করে রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে তাকালে যে মহানিষ্ক্রমণ চোখে পড়ে, তা কোনো বাহ্যিক অর্থনৈতিক মন্দা বা কাঠামোগত দুর্বলতার গল্প নয়
আজ (২৮ মে) পঞ্জিকার পাতায় এক অদ্ভুত ও নির্মম সমাপতন। একদিকে বিশ্ব ক্ষুধা দিবসের করুণ সানাই, অন্যদিকে ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর ঈদের আনন্দ-কোলাহল। উৎসবের এই প্রখর আলো যখন এদেশের সুউচ্চ অট্টালিকার ড্রয়িংরুমে, সুসজ্জিত ডাইনিং টেবিলে পোলাও-কোর্মার সুবাসিত বাষ্প হয়ে উড়ছে, ঠিক তখনই তার সমান্ত
বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণের সাম্প্রতিক ভয়াবহতা কোনো আকস্মিক সুনামি নয়; বরং এটি আমাদের সামষ্টিক সামাজিক পচন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং দীর্ঘদিনের মনস্তাত্ত্বিক বিকারের এক চূড়ান্ত বিস্ফোরণ। কোনো সমাজ যখন তার সবচেয়ে দুর্বল এবং নিরীহ অংশটিকে—অর্থাৎ শিশুদের—সুরক্ষা দি
সাম্প্রতিক ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো সমাজ ও রাষ্ট্রকে করেছে বধির। সবাজায়গায় কেমন জানি সনশান নিরবতা বিরাজ করছে। নিষ্পাপ রামিসাকে ধর্ষন, গলা কেটে হত্যা আর হত্যাকারীকে পারিয়ে যেতে সাহায্য কলো ধর্ষনকারী স্ত্রী, যে নিজেও একজন মা। শিশু রামিসার লাশ উদ্ধারের পর পিতার বিচার না পাবার যে সংস্কৃুতির কথা বলেছেন, আইন র্শখংলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যে প্রশ্ন করেছেন তার কোন জবাব কি রাষ্ট্র বা সরকার দিতে পারবে ? চারদিকে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীর নিরবতা নিয়েও চলছে নানা প্রশ্ন ? কোন প্রশ্নের উত্তর কি আছে ?
একটি সমাজ বা রাষ্ট্র তখনই সত্যিকারের বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, যখন মানুষ অন্যের কষ্ট অনুভব করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। বাংলাদেশে বর্তমানে শিশুদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এমন এক স্তরে পৌঁছেছে যেখানে একটি শিশুর মর্মান্তিক ট্র্যাজেডিও সামষ্টিক বিবেককে সহজে নাড়া দিতে পারছে না।
তৃণমূল কংগ্রেসের গত ১৫ বছরের নির্বাচনী রণকৌশলের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল নিপুণ 'বুথ ম্যানেজমেন্ট'। অভিযোগ ছিল যে, রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের একটি অংশ পরোক্ষভাবে শাসকদলের ক্যাডার বাহিনীর মতো কাজ করত, যার ফলে বিরোধী দলগুলো অনেক ক্ষেত্রেই বুথ এজেন্ট বসাতে বা ভোটারদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হতো। কিন্তু এবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই কমিশন যেভাবে একের পর এক জেলা শাসক (DM) ও পুলিশ সুপারদের (SP) অপসারণ করেছে, তাতে তৃণমূলের সেই প্রশাসনিক গ্রিপ বা রাশ আলগা হয়ে যায়।
১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ফারাক্কা বাঁধের ফলে নদীর নাব্যতা ধ্বংস করে নেওয়ার আশঙ্কায় ও পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে সারাদেশের লাখ লাখ মানুষ
বাংলাদেশ একবিংশ শতাব্দীর একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র, যেখানে নারী-পুরুষ সমতার প্রশ্ন আজ আর কেবল নীতিগত আলোচনা নয়,এটি বাস্তব জীবনের দাবি। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সামাজিক মর্যাদা,সবক্ষেত্রেই নারীর অংশগ্রহণ ক্রমবর্ধমান। অথচ উত্তরাধিকার আইনের ক্ষেত্রে এখনো একটি বড় বৈষম্য রয়ে গেছে, বিশেষত হিন্দু
মানবসভ্যতা আজ প্রযুক্তি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও উন্নয়নের এক চূড়ান্ত উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমরা মহাকাশ জয় করছি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করছি, আর বিশ্বায়নের মাধ্যমে একে অপরের কাছাকাছি আসছি। কিন্তু এই অগ্রগতির আবরণ ভেদ করে যখন কোনো নিষ্ঠুর, অমানবিক ঘটনার খবর সামনে আসে, তখন প্রশ্ন জাগে আমরা কি সত্যিই মানু