| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

১৪৫তম জন্মবার্ষিকী: রাজনীতিতে ভাসানীর আদর্শ ধারণ করতে হবে: বাংলাদেশ ন্যাপ

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ১১, ২০২৫ ইং | ১১:২৩:৩৯:পূর্বাহ্ন  |  ১৭৫৪০২৬ বার পঠিত
১৪৫তম  জন্মবার্ষিকী: রাজনীতিতে ভাসানীর আদর্শ ধারণ করতে হবে: বাংলাদেশ ন্যাপ
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক : ‘স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন না করা সরকার ও রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। দলীয় রাজনৈতিক সরকারের মতো জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রতিষ্ঠিত সরকারও মওলানা ভাসানীকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়েছে তা দেশবাসীকে ব্যাথিত করেছে।’

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ১২ ডিসেম্বর মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বাণীতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া উপরোক্ত মন্তব্য করেছেন।

তারা বলেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক ব্যক্তির অবদান নয়। বাংলার মানুষের মুক্তির সংগ্রামে যারা ভূমিকা রেখেছেন, সন্দেহাতীতভাবে মওলানা ভাসানী তাদের মধ্যে প্রধানতম। ভোটের রাজনীতি বা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি নয়, ভাত-কাপড়ের রাজনীতি দিয়েই তিনি মানুষকে সংগঠিত করেছেন। জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই তিনি আপসহীনভাবে লড়াই চালিয়ে গেছেন। আজও মুক্তি পেতে হলে জনগণের সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করেই মওলানা ভাসানীর রাজনীতিকে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। ভাসানীর দেশপ্রেমের রাজনীতিকেই আজ ধারণ করতে হবে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘খুব বিখ্যাত ছিল মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ‘খামোশ’ বলা। সমগ্র জাতিকে ধমক দিতে পারতেন, শাসন করতে পারতেন একজন মানুষ। সমগ্র জাতির যিনি নেতা তখন ছিলেন, তাকেও শাসন করতে পারতেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে এখন তার কথা আলোচনা করা হচ্ছে না।’

তারা বলেন, ‘মওলানা ভাসানী ছিলেন একাধারে কৃষক নেতা, অন্যভাবে তাকে গণমানুষের নেতা হিসাবেও আখ্যায়িত করা যায়। জাতির দুর্ভাগ্য, তাকে ভালোভাবে স্মরণ না করে অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দিচ্ছে। এক শ্রেণীর আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পড়ে রাজনীতিবিদরা তাকে নিয়ে এমন তুচ্ছভাব দেখাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও তা অব্যাহত রেখেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামের এই অবিসংবাদিত নেতার জন্ম ও মৃত্যুদিন রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনে শাসকগোষ্ঠী হীনমন্যতার পরিচয় দিচ্ছে। মওলানা ভাসানীর দেশপ্রেম এবং অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক আদর্শের পথ ধরে স্বাধীনতার ঘোষণা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম বেগবান করার প্রত্যয় ঘোষণা করতে হবে।’

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪