রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দল গঠনের এক বছরেরও কম সময়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের প্রথমবারের প্রার্থীদের মধ্যে অনেকের হলফনামায় উঠে এসেছে লাখ-লক্ষ টাকার সম্পদের বিবরণ। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ৩২ লাখ, মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসুদ ৩৫ লাখ টাকা দেখিয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর সম্পদ ৫০ লাখ টাকার বেশি।
হলফনামায় প্রার্থীদের ১০ ধরনের তথ্য দিতে হয়। কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতোমধ্যে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, হলফনামায় অসত্য তথ্য প্রমাণিত হলে ভোটের পরও সদস্য পদ বাতিল করা যেতে পারে।
নাহিদ ইসলাম (ঢাকা-১১): সম্পদ ৩২ লাখ টাকা, ব্যাংক ঋণ ৩ লাখ টাকা। পেশা: পরামর্শক। বছরে আয় ১৬ লাখ টাকা। অলংকার ও স্ত্রীর গয়না মিলিয়ে প্রায় ১৮ লাখ টাকা।
আখতার হোসেন (রংপুর-৪): সম্পদ ২৭ লাখ, স্ত্রীর ১৬ লাখ টাকা, নগদ ১৩ লাখ টাকা। পেশা: শিক্ষানবিশ আইনজীবী।
হান্নান মাসুদ (নোয়াখালী-৬): সম্পদ ৩৫ লাখ, বাবার তুলনায় ১৮ গুণ বেশি। ব্যাংকে মাত্র ১ হাজার ৫৫ টাকা। পেশা: ব্যবসায়ী।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (ঢাকা-৮): নগদ ২৫ লাখ, স্বর্ণালংকার ২২ লাখ, ব্যাংকে ৮,২৭৫ টাকা। পেশা: মার্কেটিং কনসালট্যান্ট।
সারজিস আলম (পঞ্চগড়-১): সম্পদ ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার, নগদ ৩ লাখ ১১ হাজার। ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় ৯ লাখ।
হাসনাত আবদুল্লাহ (কুমিল্লা-৪): মোট সম্পদ ৫০ লাখ, ব্যাংকে সোনা ২৬ লাখ, নগদ ১৩.৫০ লাখ। পেশা: ব্যবসা।
তাসনিম জারা (ঢাকা-৯): সম্পদ ১৯ লাখ, বার্ষিক আয় ৭ লাখ। নগদ ১৬ লাখ, ব্যাংকে ১০ হাজার টাকা, অলংকার ২.৫ লাখ।
সিলেটের প্রার্থী: উচ্চ শিক্ষিত, দেশের ভিতরে-বিদেশে আয়, সম্পদ ও গয়নার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য।
এহতেশামুল হক (সিলেট-১): দেশে আয় ৩.৮ লাখ, বিদেশে ৬ লাখ; স্ত্রী দেশে ৪০ লাখ, বিদেশে গাড়িসহ ১০ লাখ।
নুরুল হুদা জুনেদ (সিলেট-৩): বার্ষিক আয় ৬ লাখ, স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সম্পদ ২০ লাখ।
মো. রাশেল উল আলম (সিলেট-৪): দেশের ভিতরে বার্ষিক আয় ৪৮ লাখ, বিদেশে ৬২ লাখ। নগদ ৩৯.৬৩ লাখ, স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
হলফনামার তথ্য থেকে দেখা যায়, অনেক প্রার্থী দেশের ভিতরে এবং বিদেশে উল্লেখযোগ্য সম্পদ ও আয় দেখিয়েছেন, যার মধ্যে কোটিপতির সংখ্যাও রয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি