| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

২০২৯ সালের মধ্যে জাপানে ৩ লাখ জনশক্তি পাঠানোর প্রস্তুতি

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২৮, ২০২৬ ইং | ১২:৪৯:৩৬:অপরাহ্ন  |  ৬৭৮ বার পঠিত
২০২৯ সালের মধ্যে জাপানে ৩ লাখ জনশক্তি পাঠানোর প্রস্তুতি

ডেস্ক রিপোর্ট : জাপানে চলমান দক্ষ কর্মী সংকট মোকাবিলায় নির্দিষ্ট দক্ষতা কর্মী ১৬টি খাতে বিপুল সংখ্যক দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।   

জাপান সরকার ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে এসএসডব্লিউ’র ১৬টি খাতে ৮ লাখ ২০ হাজার বিদেশি কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এতে বাংলাদেশ সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিলে এ ক্যাটাগরির মোট চাহিদার অন্তত ৪০ শতাংশ, অর্থাৎ ৩ লাখের বেশি জনশক্তি পাঠাতে পারবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা।

অতিতে যা ছিল মাত্র মাত্র ছয়টি ক্যাটাগরিতে জনশক্তি পাঠানোর সক্ষমতা। বর্তমানে সব খাতেই দক্ষ কর্মী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জাপান বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। সেখানে দক্ষ কর্মীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সরকার দক্ষ জনবল তৈরি করতে পারলে এসএসডব্লিউ’র মোট চাহিদার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কর্মী পাঠাতে পারবে বাংলাদেশ। এতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য জাপান ভালো একটি ক্ষেত্র হবে।

টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং ‘জাপান টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনের বরাতে জানিয়েছে, জাপান ২০২৯ সালের মধ্যে দক্ষতা উন্নয়নভিত্তিক কর্মসংস্থান (ইএসডি) ও নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী (এসএসডব্লিউ) ক্যাটাগরিতে প্রায় ১২ লাখ বিদেশি কর্মী নিয়োগের লক্ষ্য নিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশটিতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ বিদেশি কর্মীর প্রয়োজন হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জাপানে যাওয়ার আগে কর্মীদের ভাষা শিক্ষা এবং দেশটির উন্নত সমাজে নিয়মিত ব্যবহার হওয়া প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। এতে জাপানি সমাজে আমাদের দেশের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। একবার আস্থা অর্জন করতে পারলে ভবিষ্যতে আরও বড় সুযোগ তৈরি হবে। জাপানের শর্ত পূরণ করা গেলে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশটির চাহিদার ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত জনশক্তিও বাংলাদেশ পাঠাতে সক্ষম হবে।তাই  এ উদ্ধেশ্যে ভাষা শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সরকারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

এ লক্ষ্যে বর্তমানে সরকারের অনেকগুলো উদ্যোগ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)’র অধীনে দেশের ৫৩টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে (টিটিসি) জাপানি ভাষা শিক্ষা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৫টি টিটিসিতে হাইব্রিড (অনলাইন) পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ চলছে। বেসরকারি খাতেও ২০০টির বেশি ভাষা শিক্ষাকেন্দ্র কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠাতে জাপানের অনুমোদিত ৯৫টি রিক্রুটিং এজেন্ট (সেন্ডিং অর্গানাইজেশন) রয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/ফয়সাল

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪