| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২৯, ২০২৬ ইং | ০৩:৪৮:৫৪:পূর্বাহ্ন  |  ৫৬৪ বার পঠিত
যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের নর্থ ওয়েস্ট অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে দেশটির শিক্ষা খাতে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর ফৌজদারি তদন্তের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা নীতিমালা ও নিয়োগ ব্যবস্থায় সংস্কারের আলোচনা শুরু হয়েছে।

বোল্টন ক্রাউন কোর্টে মামলার প্রাথমিক বিচারিক ধাপ শেষ হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, আসামির সাজা ঘোষণা আগামী ১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই সময় পর্যন্ত তিনি কারাগারে থাকবেন।

আসামি স্যালফোর্ডের বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সী ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নাগরিক ও সাবেক সাপ্লাই শিক্ষক আবুস আলী রহমান। আদালত তার একটি পূর্ণাঙ্গ মানসিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে তার মানসিক স্বাস্থ্য ও অপরাধমূলক আচরণের সম্ভাব্য সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হবে, যা চূড়ান্ত রায়ে প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ১৩ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১৩ জন ছাত্রীকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিশেষ মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল ফরেনসিক ইউনিট আরও চারজন সম্ভাব্য ভুক্তভোগীকে শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ জন্য জব্দ করা প্রায় এক হাজার ডিজিটাল উপাদান ও ছবি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যের শিক্ষা খাতে খণ্ডকালীন ও সাপ্লাই শিক্ষকদের নিয়োগ ও তদারকি ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ নির্ভর ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত তাৎক্ষণিক যাচাই ও নজরদারির ঘাটতি রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় শিক্ষা কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় সুরক্ষা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকদের প্রাক-চাকরি যাচাইকরণ পদ্ধতি পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল নির্দিষ্ট সময় পরপর ডিসক্লোজার অ্যান্ড ব্যারিং সার্ভিস (ডিবিএস) যাচাই যথেষ্ট নয়; বরং আরও আধুনিক ও রিয়েল-টাইম নজরদারি ব্যবস্থা প্রয়োজন।

ডিজিটাল গোপনীয়তা ও প্রযুক্তি আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিদ্যমান আইনি কাঠামো প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। তাদের মতে, এ ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সফটওয়্যার নির্মাতাদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।

আগামী ১ সেপ্টেম্বরের রায় যুক্তরাজ্যের বিচার ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪