স্পোর্টস ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে প্রবল চাপ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের এই ম্যাচে ঘানার বিপক্ষে ০-০ গোলে ড্র করেছে তারা। রক্ষণাত্মক ও সংগঠিত পারফরম্যান্সে পুরো ম্যাচজুড়েই ইংলিশদের আটকে রাখে আফ্রিকান দলটি।
ম্যাচের শেষ দিকে ইনজুরি সময়সহ ৬ মিনিট অতিরিক্ত দেওয়া হয়। সেই সময়েই একের পর এক আক্রমণে ঘানার রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। কর্নার ও সেট-পিসে বেশ কয়েকবার বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় হ্যারি কেইনের দল।
৯৩তম মিনিটে একটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট হয় ইংল্যান্ডের। কর্নার থেকে আসা বল প্রথমে হেডে ক্লিয়ার হলেও দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় মার্ক গেহির হেড গোলমুখে গেলে গোললাইনেই তা রুখে দেয় ঘানার দুই ডিফেন্ডার। ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল এটি।
এর আগে ৯০ মিনিটের মাথায় ডেকলান রাইসের এক ক্রস হ্যারি কেইনের কাছে পৌঁছানোর মতো অবস্থায় গেলেও বলটি সামান্য উঁচু হওয়ায় অধিনায়ক সেটি কাজে লাগাতে পারেননি। এরপর একাধিক কর্নার ও ক্রস দিয়েও গোলের দরজা খুলতে পারেনি ইংল্যান্ড।
ঘানা শুরু থেকেই দৃঢ় রক্ষণাত্মক পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামে এবং পুরো ম্যাচে সেটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করে। তারা শুধুমাত্র রক্ষণেই নয়, কয়েকটি দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকেও ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলতে সক্ষম হয়।
ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড শিবিরে হতাশা দেখা যায়। বিশেষ করে ডেকলান রাইস শেষদিকে বল দখলের লড়াইয়ে গিয়ে চোটের কারণে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েন।
ঘানার শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণভাগ এবং ইংল্যান্ডের ফিনিশিং দুর্বলতার কারণে ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়, যা দুই দলের গ্রুপ পর্বের অবস্থানেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি