কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসায় প্রশাসন ও রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে প্রায় তিনঘণ্টা পর বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে আন্দোলনকারিরা। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধা ৭টার দিকে তারা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেন।
এর আগে বিকেল ৪টার দিকে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি বহাল রাখার দাবিতে কয়েক হাজার নানা বয়সি মানুষ খোকসা রেলস্টেশন অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে প্রায় তিনঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রাীরা।
সরেজমিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দেখা যায়, বৈরী আবহাওয়া বৃষ্টি উপেক্ষা করে কয়েক হাজার মানুষ আন্দোলন করছেন। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তাদের বিভিন্ন শ্লোগান দিতে দেখা গেছে। আরো দেখা গেছে কুষ্টিয়া ৪ আসনের সাংসদ মো. আফজাল হোসেন, খোকসা থানার ওসি মোল্লা জাকির হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করে আন্দোলন থামানোর চেষ্টা করছেন। তবে আন্দোলনকারীরা তাদের কথা না শোনে আন্দোলন চালিয়ে যান।
এরপর সন্ধা ৭টার দিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. জাকির হোসেন, কুষ্টিয়া - রাজবাড়ী রেলওয়ের সহকারী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান দুই কার্যদিবসের মধ্যে দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা আন্দোলন সাময়িক স্থগিত করেন।এ বিষয়ে আন্দোলনের সমন্বয়কারী মো. খোকন হোসেন বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ প্রজ্ঞাপন করে খোকসার বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি বাতিল করেছে। তাই সেই প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে বিকেল ৪টা থেকে রেলপথ অবরোধ করে কয়েক হাজার মানুষ আন্দোলন শুরু করে। পরে প্রশাসন ও রেলের লোকজন আমাদের আশ্বাস দিলে সন্ধা ৭টার দিকে আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে। তবে প্রশাসন কথা না রাখলে আগামী সোমবার থেকে ফের কঠোর আন্দোলন করা হবে।অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো . জাকির হোসেন বলেন, আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে চিঠি বাতিলের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চিঠি পরিবর্তন করে কুমারখালী ও খোকসা দুই স্টেশনেই ট্রেন থামবে।আন্দোলনে এসে কুষ্টিয়া ৪ আসনের এমপি মো. আফজাল হোসেন বলেন, কুমারখালী ও খোকসা দুটি উপজেলায় আমার। সবখানেই ট্রেন থামানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব