| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

৭.৬২ বুলেট নিয়ে ‘স্নাইপার’ তত্ত্ব ছড়ানোর সুযোগ নেই, এ অস্ত্র পুলিশ-বিজিবি ব্যবহার করে

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ২৮, ২০২৬ ইং | ২২:৩৭:৫৯:অপরাহ্ন  |  ৭৫১ বার পঠিত
৭.৬২ বুলেট নিয়ে ‘স্নাইপার’ তত্ত্ব ছড়ানোর সুযোগ নেই, এ অস্ত্র পুলিশ-বিজিবি ব্যবহার করে

স্টাফ রিপোর্টার: জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে আন্দোলনকারীদের দমনে ৭.৬২ মিলিমিটার বুলেট ব্যবহার করা হয়েছিল এবং এ ঘটনা নিয়ে আওয়ামীপন্থি অ্যাক্টিভিস্টরা স্নাইপার ব্যবহারের যে আলোচনা ছড়িয়েছে, সে বিষয়টি বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। 

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন বিষয়ে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। সচিবালয় তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ৭.৬২ মিলিমিটার বুলেট নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। এ ধরনের গুলি কোনো রহস্যময় বা বিশেষ অস্ত্রের নয়, দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবহৃত চীনা টাইপ-৫৬ রাইফেলে এই ক্যালিবারের গুলি ব্যবহার করা হয়। আমি অবাক হয়েছি, কেউ কেউ এমনভাবে বলছেন যেন ৭.৬২ মিলিমিটার বুলেট মানেই স্নাইপার রাইফেলের গুলি। বিষয়টি মোটেও তা নয়। পুলিশের হাতে বহু বছর ধরেই টাইপ-৫৬ রাইফেল রয়েছে, যা ৭.৬২ মিলিমিটার গুলি ব্যবহার করে। 

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, টাইপ-৫৬ একটি সামরিক মানের রাইফেল, যা আগে সেনাবাহিনীর কাছে ছিল। পরে এটি সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সর্বশেষ পুলিশের কাছে আসে। এ অস্ত্রের কার্যকর পাল্লা প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ মিটার পর্যন্ত হওয়ায় সাধারণ পুলিশের হাতে এমন অস্ত্র থাকা নিয়ে অতীতেও প্রশ্ন উঠেছিল।

উপদেষ্টা বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে যে, সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীরা স্নাইপার ব্যবহার করে মানুষ হত্যা করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পুলিশের কাছেই ৭.৬২ মিলিমিটার গুলি ব্যবহারকারী রাইফেল ছিল। বিজিবির কাছেও একই ধরনের অস্ত্র ছিল। অভ্যুত্থানকালে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ছবি ও ভিডিওও রয়েছে। তাই কোথাও থেকে অজ্ঞাত কোনো স্নাইপার এসে গুলি করেছে, এ ধরনের প্রচারণার বাস্তব ভিত্তি নেই। তদন্তে এসব ঘটনার প্রকৃত চিত্র উঠে আসবে।

উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের বলেন, পুলিশের কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র থাকার বিষয়টি নতুন কিছু নয়। তবে জননিয়ন্ত্রণে সাধারণত স্বল্প-পাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের প্রচলন থাকলেও ৭.৬২ মিলিমিটার রাইফেলের মতো দীর্ঘ-পাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। জুলাই আন্দোলনের ঘটনাগুলোর তদন্তে কারা কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তা আইনগত প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে। তবে ৭.৬২ মিলিমিটার বুলেটকে কেন্দ্র করে স্নাইপার তত্ত্ব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির সুযোগ নেই।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪