মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরা সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আতাউর রহমান সবুজকে তার অপকর্মের যোগ্য শাস্তি দিয়েছে এক গৃহবধূ।
স্হানীয়দের সুত্রে জানা যায়, এই সবুজ জুলাই মাসে ৮ তারিখ ছুটি নিয়ে সৌদী আরব থেকে দেশে আসে। আসার পর হতেই তারই প্রতিবেশী মালয়েশিয়া প্রবাসী শাহারুল মোল্যার স্ত্রীকে প্রতিনিয়ত কুপ্রস্তাব দিয়ে আসতেছিলো। বিভিন্ন সময় ইমোতে বাজে মেসেজ ও কুপ্রস্তাব দিত। এটা নিয়ে তার বাপ-ভাইকে বলার পরেও তারা কোন কর্নপাত করেনি।
তার এই কু-প্রস্তাবের মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাওয়ার ফলস্বরুপ ২৯ শে জুলাই রাত আনুমানিক ২ টার দিকে শাহারুল মোল্যার স্ত্রীকে ইমোর মাধ্যমে বাজে মেসেজ দিতে থাকে এবং দরজা জানালায় টোকা দিতে থাকে। কোন এক পর্যায়ে শাহারুল মোল্যার স্ত্রী বাইরে বের হলে তাকে মুখ চেপে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে।
ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সবুজের বহন করা ধারালো অস্ত্র মাটিতে পড়ে যায়। তখন নিজের সম্ভ্রম রক্ষার্থে সেই অস্ত্র দিয়েই সবুজকে আঘাত করেন ঐ গৃহবধূ। তারপর সবুজ আহত অবস্থায় এক প্রতিবেশীর বাড়ীতে আশ্রয় নেয়।
প্রথমে সবুজকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। জরুরী চিকিৎসা সেবা দিয়ে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে রেফার্ড করা হলেও পরে ফরিদপুর হতে ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়েছে।
এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনেকেই বলেছেন- এটাই সঠিক বিচার। যেমন কর্ম তেমন ফল।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব