| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চাঁদা না দেওয়ায় কুপিয়ে হত্যার দায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ৩১, ২০২৬ ইং | ১৪:২৪:০৮:অপরাহ্ন  |  ২৪৪ বার পঠিত
চাঁদা না দেওয়ায় কুপিয়ে হত্যার দায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

বগুড়া প্রতিনিধি: চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল রাগিবুল হাসান হৃদয়কে। ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছিলেন তার বাবা মামুনুর রশিদও। সেই হত্যা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৫-এর বিচারক কৌশিক আহমেদ খোন্দকার সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলোচিত  এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও মো. রাব্বি। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আশিক, শাকিল ও মতিন। একই সঙ্গে পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

রায়ের আদেশে জরিমানার অর্থের অর্ধেক নিহত হৃদয়ের সন্তানকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বাকি অর্ধেক রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে বলা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২০ জুলাই সন্ধ্যার দিকে বগুড়া মহানগরের কৈপাড়া পুকুরপাড় এলাকায় হৃদয়দের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি করেন আসামিরা। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা দোকানের ভেতরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হৃদয়কে কুপিয়ে আহত করেন।

এ সময় ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হৃদয়ের বাবা মামুনুর রশিদকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদয়ের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় হৃদয়ের মা আয়েশা সিদ্দিকা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাসুদার রহমান বলেন, চাঁদা না পেয়ে আসামিরা হৃদয়কে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। মামলার তদন্ত শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত পাঁচ আসামিকে দণ্ড দিয়েছেন। তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান।

রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করেন হৃদয়ের বাবা-মা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে হৃদয়ের মা আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, তার একমাত্র ছেলে কোরআনের হাফেজ ছিলেন। ঈদের আগের দিন তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে ঈদের দিন তার ছেলে মারা যান। আর ঈদের পরদিন তার পুত্রবধূ সন্তান প্রসব করেন।

আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট। দ্রুত এই রায় কার্যকর হোক।’ হৃদয়ের বাবা মামুনুর রশিদও কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, তিনি আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪