| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কংগ্রেস নেতা রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ০৬, ২০২৬ ইং | ২২:৪৬:০৫:অপরাহ্ন  |  ১১৯৪ বার পঠিত
কংগ্রেস নেতা রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধনে কথিত কারচুপির প্রতিবাদে টানা প্রায় ৯ ঘণ্টা বিক্ষোভের পর কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে নয়াদিল্লির আকাশবাণী ভবনের সামনের চত্বর থেকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়। রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও এ সময় বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শীর্ষস্থানীয় বহু সাংসদ ও নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করে বাসে তুলে নিয়ে যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধনের একটি বিশেষ কার্যক্রম (এসআইআর) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে আসছে বিরোধী দলগুলো। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ ভবন চত্বর থেকে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের তিন শতাধিক বিরোধী সংসদ সদস্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় ‘নির্বাচন সদন’ অভিমুখে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তবে মিছিলটি সংসদ মার্গে পৌঁছালে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী কাঁটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে তাদের পথ আটকে দেয়। 

পুলিশের বাধার মুখে বিরোধী নেতারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং রাহুল গান্ধীসহ বেশ কয়েকজন সাংসদ ব্যারিকেডের ওপর উঠে পড়েন। এরপর নির্বাচন সদনে ঢুকতে না পেরে তারা পাশের আকাশবাণী ভবনের মূল ফটকের সামনে ও চত্বরে বসে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন।

বিক্ষোভ চলাকালে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ভোট চুরির মাধ্যমে গোটা দেশের নির্বাচনী ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে দিচ্ছে মোদি সরকার। কংগ্রেস নেতারা সাফ জানিয়ে দেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সংসদীয় প্রতিনিধি দলকে সরাসরি দেখা করতে না দেওয়া পর্যন্ত এবং তাদের দাবির যৌক্তিক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের এই লড়াই থামবে না।

এদিকে বিক্ষোভের তীব্রতার মুখে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সমস্যা সমাধানে কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ বা সমঝোতার চেষ্টা করেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিষয়টিকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন দাবি করেছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ইউনিট। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো যোগাযোগের তথ্য সত্য নয় এবং এটি সম্পূর্ণ বানোয়াট। তারা সাধারণ জনগণকে এ সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪