‘দুইটি নিয়ামতের ব্যাপারে অনেক মানুষ ধোঁকার মধ্যে আছে, স্বাস্থ্য এবং অবসর।’ (সহিহ বুখারি)
১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দ্বন্দ্ব চলে আসছে এবং এখন পর্যন্ত এই দ্বন্দ্বের কোনো প্রকৃত সুরাহা হয়নি। বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ ইসরায়েলকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সার’ হিসেবেই বিবেচনা করে থাকেন।
গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের কল্পলোক থেকে বাস্তব জগতে নেমে আসা এক নদীবেষ্টিত গ্রামের নাম সুকুরিজু। অ্যামাজন নদীর মুখে, ম্যানগ্রোভে ঘেরা এই স্থান যেন সময়ের বাইরে টিকে থাকা এক জৈব-সামাজিক বাস্তুতন্ত্র। এখানে জীবন চলে জোয়ার-ভাটার সঙ্গে, চন্দ্রচক্রের গতিপথে—প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য ছন্দে। অথচ এই সমন্বিত জীবনধারার বুকে বারবার থাবা বসিয়েছে এক আধুনিক দানব, তেল শিল্প। সুকুরিজু আজ দাঁড়িয়ে আছে অস্তিত্বের প্রান্তরেখায়—নতুন করে তেলের খননের পরিকল্পনা শুধু তার নিজস্ব জীবিকা ও সংস্কৃতিকেই নয়, গোটা অ্যামাজনের উপকূল ও বৈশ্বিক পরিবেশ ব্যবস্থা কে হুমকির মুখে ফেলেছে।
প্রাচীন কালের কথা, 'অল্প টাকার অভাব মানুষকে কষ্ট দেয়, আর অতিরিক্ত টাকার প্রাচুর্য তাকে অন্ধ করে।' আজকের সমাজে দাঁড়িয়ে এই কথাটি যে কতটা সত্য, তা আমরা প্রতিদিনের জীবনে প্রতিনিয়ত দেখতে পাই।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থান নিছক একটি ক্ষমতার পালাবদল নয়। এটি ছিল স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো একটি নতুন প্রজন্মের রাষ্ট্রচিন্তার বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিনের একদলীয় চরিত্রের সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। শুরুতে এই সরকারকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা হলেও আশাবাদ জন্মেছিল
রাশিয়ার ভূখণ্ডে এক নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধের গতিপথে কৌশলগত মোড় এনে দিয়েছে। রবিবার শত শত কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রুশ সামরিক ঘাঁটিগুলিতে ইউক্রেনের সমন্বিত ড্রোন হামলায় ধ্বংস হয়েছে অন্তত ৪১টি কৌশলগত বোমারু বিমান, যার মধ্যে টিইউ-৯৫, টিইউ-২২ এবং এ-৫০ এর মতো অত্যাধুনিক বিমান রয়েছে।
বিশ্ব ইতিহাসে এক বরনীয় ও স্বরনীয় নাম হচ্ছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের নেতা সৈয়দ রুহুল্লাহ মুসাভি খোমেনি অর্থাৎ ইমাম খোমেনি। ৮০ দশকের শেষ দিকে বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা ছিলেন তিনি। ইসলামের বাইরেও ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এই মহানায়ককে ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলা অসম্ভব। ৪ জুন ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।
বাংলাদেশের কক্সবাজারসহ পার্বত্য তিন জেলা মোট চারটি জেলা নিয়ে চলছে দেশী-বিদেশী নানা ষড়যন্ত্র। আগের শান্তি বাহিনী সহ পার্বত্য অঞ্চলের নানা উপজাতিয় সন্ত্রাসী গ্রপের সাথে যুক্ত হয়েছে কেএনএফ আর রোহিঙ্গা সদস্যা। যে কোন মুহুর্ত এ অঞ্চল হয়ে উঠতে পারে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পদলেহনকারীদের অভয় অরন্য। বিষ্ফোরন ঘটতে পারে নানা শক্তির সংঘর্ষের। ফলে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষরা বিপদে পড়তে পারে। এমনিতেই এ অঞ্চলের সাধারণ জনগন নানা যন্ত্রনায় রয়েছে।
বাড়ির সামনে কয়েকজন দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে লক্ষ্য করলাম, দূর থেকে একজন পঞ্চাশোর্ধ মানুষ দৌড়ে এগিয়ে আসছে। কাছে আসতেই বেহুঁশ হয়ে পড়ে গেল। লোকটি বেহুঁশ হয়ে যাওয়ার পর পেছন থেকেই দুজন লোক আসলো। অপরিচিত যে দুজন লোক আসলো, তারা এসে বললো যে, এই লোকটা শীতের কাপড় বিক্রি করছিল। মসজিদের এক কোণায় কাপড়ের গাইড রেখে নামাজ পড়ছিল।