অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন আপাতত স্থগিত করেছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকেলে কাকরাইল মোড়ে আন্দোলনস্থলে এসে তিনি এ ঘোষণা করেন। ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি গণতান্ত্রিক, নিয়মতান্ত্রিক দল; যারা আইনের শাসনে বিশ্বাস করে। হাইকোর্টের আদেশ শোনার পর দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আপাতত আমার আন্দোলন স্থগিত রাখব।
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন তাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনকারীদের রাজপথ না ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হাইকোর্ট থেকে এ সংক্রান্ত আদেশের পর ফেসবুক পোস্টে তিনি এ নির্দেশ দেন।
ড. খলিলুর রহমানকে অবিলম্বে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে দেশে-বিদেশে তার অবস্থান সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দেশের জনগণের সামনে হাজির করার দাবি জানিয়েছে দলটি।
আমি আশা করব যে, মন্ত্রণালয়ে আর কোনো সমস্যা তৈরি না করে দ্রুত তারা ইশরাক হোসেনের শপথের ব্যবস্থা করবেন এবং পরিস্থিতিকে সহজ করে তোলবার চেষ্টা করবেন।
ধারণা করা হচ্ছে ইশরাক হোসেন ইস্যুতে পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
সাম্য হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগ মোড়ে ছাত্রদলের অবস্থান, যান চলাচল বন্ধ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তিন বছরের সাজার বিরুদ্ধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের করা আপিলের ওপর আজ শুনানি শুরু হয়েছে
এনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া গেজেট অবৈধ ঘোষণার দাবি এবং তাকে শপথ পড়ানো থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা চেয়ে রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত
শরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল ১০টা পর্যন্ত চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন তার সমর্থকরা।
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশের কল্যাণে আমাদের এক হয়ে কাজ করতে হবে।
কর্মসূচি হলো- বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শাহবাগ মোড় ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হবে।
ইশরাক কেন আজ মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ অভিমুখে মিছিল করছেন? আপনারা যদি কারও কান কথা শুনে ইশরাকের শপথ গ্রহণকে বন্ধ করে থাকেন, তাহলে এটি খুব ঘৃণিত কাজ করেছেন।
আমরা চাই না, এই সরকার ব্যর্থ হোক। কারণ, তা হলে দেশ আবার অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাবে। এই কারণে এতো কিছুর পরেও আমরা চুপ করে আছি।