| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

খাবার ফুরিয়ে আসছে, নেই ইন্টারনেট; ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় ১৪ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ০১, ২০২৫ ইং | ২২:৩৩:৩৭:অপরাহ্ন  |  ১৯২৯৯২০ বার পঠিত
খাবার ফুরিয়ে আসছে, নেই ইন্টারনেট; ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় ১৪ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার সম্প্রতি সংঘটিত বিরল ঘূর্ণিঝড়ে মৃতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৫০০ ছাড়িয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মালাক্কা প্রণালীতে সৃষ্ট এই ঝড় গত সপ্তাহে দেশের তিনটি প্রদেশে আঘাত হানে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে প্রায় ১৪ লাখ মানুষের ওপর।

এছাড়া অন্তত ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছে এবং কয়েক হাজার আহত হয়েছে। আচেহ, উত্তর সুমাত্রা ও পশ্চিম সুমাত্রা প্রদেশগুলো সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। রাস্তাঘাট কাঁদা ও ধ্বংসাবশেষে বন্ধ থাকায় ত্রাণকর্মীরা পায়ে হেঁটে এবং মোটরসাইকেল ব্যবহার করে সাহায্য পৌঁছে দিচ্ছেন।

পশ্চিম সুমাত্রার টুইন ব্রিজ ল্যান্ডমার্কে এক খননযন্ত্র দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করতে দেখা গেছে মারিয়ানাকে। তিনি তার পনেরো বছর বয়সী ছেলেসহ পরিবারের নিখোঁজ সদস্যদের খুঁজছেন। তিনি বলছেন, খননযন্ত্রের শব্দ শুনে ভাবছি, তারা আমার ছেলেকে খুঁজে পেলে সে কি ঠিক থাকবে?

অনেক মানুষ খাবারের জন্য দারুণ সংকটে পড়েছেন। মধ্য তাপানুলিতে মায়াসানতি বলেন, সবকিছু শেষ, খাবার শেষ হওয়ার পথে। তিনদিন ধরে কিছুই খাইনি। ইনস্ট্যান্ট নুডুলসের জন্যও মারামারি হচ্ছে। আমাদের খাদ্য, চাল এবং পানি প্রয়োজন।

উত্তর সুমাত্রার মধ্য আচেহে কর্তৃপক্ষ স্টারলিংক ডিভাইস দিয়েছে। লম্বা লাইন দেখা গেছে মানুষদের, যারা প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। অনেকের পাঁচদিন ধরে সিগন্যাল নেই।

সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলা কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনাও বাড়ছে। খাদ্য ও ত্রাণ বিতরণে আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতা প্রকাশ পেয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট বলেছেন, “আমরা দৃঢ়তা ও সংহতি নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করছি। দ্রুতই সব সমস্যার সমাধান করা হবে।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় গত সপ্তাহে বন্যা ও ভূমিধ্বসে ১১০০-এর বেশি মানুষ মারা গেছেন। শ্রীলঙ্কায় মৃতের সংখ্যা ৩৫৫, থাইল্যান্ডে ১৭৬ ছাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়াজনিত একাধিক কারণ মিলিত হয়ে এই বন্যার সৃষ্টি করেছে।

বিবিসি ওয়েদার জানিয়েছে, উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রচুর বৃষ্টি এনেছে। এছাড়া শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামেও ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তন এই ধরনের চরম পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলছে, যদিও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন থেকে সরাসরি আরও ঝড়ের আশঙ্কা নেই।খবর- বিবিসি


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪