| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ফেডারেল ব্যয় নিয়ে প্রকাশ্যে হতাশা

বিশেষ সরকারি কর্মচারীর পদ ছাড়লেন ইলন মাস্ক

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২৯, ২০২৫ ইং | ০৪:৪৫:৩৩:পূর্বাহ্ন  |  ১৮২৮২০৮ বার পঠিত
বিশেষ সরকারি কর্মচারীর পদ ছাড়লেন ইলন মাস্ক
ছবির ক্যাপশন: বিশেষ সরকারি কর্মচারীর পদ ছাড়লেন ইলন মাস্ক

রিপোর্টার্স২৪ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক 

বুধবার এক বিস্ময়কর ঘোষণায় ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। তিনি ফেডারেল সরকারের আমলাতন্ত্রকে সুবিন্যস্ত ও আধুনিক করার লক্ষ্যে পরিচালিত গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি ডিভিশন (ডিওজিই)-এ বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী মাস্ক তার মালিকানাধীন সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি বার্তা পোস্ট করে এই ঘোষণা দেন। 

তিনি লেখেন, “একজন বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার সাথে সাথে, আমি প্রেসিডেন্ট @realDonaldTrump-কে অপচয়মূলক ব্যয় কমানোর সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। @DOGE মিশন সময়ের সাথে সাথে আরও শক্তিশালী হবে, কারণ এটি সরকারের সর্বত্র জীবনযাত্রার একটি উপায় হয়ে উঠবে।”

এই পদত্যাগ এমন এক সময়ে এল, যখন মাস্ক সরাসরি ট্রাম্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনী উদ্যোগের সমালোচনা করেছিলেন। 

মঙ্গলবার রাতে সিবিএস-এর একটি সাক্ষাৎকারে মাস্ক ট্রাম্পের "বিশাল সুন্দর বিল" নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এটি একটি “বিশাল ব্যয় বিল”, যেখানে কর ছাড় এবং কঠোর অভিবাসন নীতির অদ্ভুত সংমিশ্রণ রয়েছে। 

তার মতে, এই বিল ফেডারেল ঘাটতিকে আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং আমলাতন্ত্র সংস্কারে ডিওজিই -এর কর্মকাণ্ডকে দুর্বল করে দেবে।“আমি মনে করি একটি বিল হয় বড় হতে পারে, অথবা সুন্দর হতে পারে,” মাস্ক মন্তব্য করেন, “কিন্তু আমি জানি না এটা উভয়ই হতে পারে কিনা।”

এদিকে, বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের আইনী এজেন্ডার পক্ষে সাফাই দেন। 

তিনি বলেন, “আমি এর কিছু দিক নিয়ে খুশি নই, তবে আমি এর অন্যান্য দিক নিয়ে রোমাঞ্চিত।” তিনি আরও জানান, বিলটিতে ভবিষ্যতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে: “আমরা দেখব কী হয়। এটির আরও অনেক পথ বাকি আছে।”মাস্কের এই পদত্যাগ অনেক বিশ্লেষকের কাছেই একটি প্রতীকী ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসনের যে কয়েকটি ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কারের আশা করা হচ্ছিল, ডিওজিই  ছিল তার কেন্দ্রবিন্দু। 

মাস্কের বিদায়ে সেই সংস্কারের ভবিষ্যৎ এখন কিছুটা অনিশ্চয়তার মুখে।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প ও মাস্কের এই প্রকাশ্য মতবিরোধ ভবিষ্যতের রাজনৈতিক-প্রশাসনিক জোট গঠনে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে প্রযুক্তি ও বাজেট সংক্রান্ত নীতিতে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪