| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইরানের দেশপ্রেমিকরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান, সাহায্য আসছে : ট্রাম্প

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ ইং | ১৮:১১:০৭:অপরাহ্ন  |  ১৬৮৮১৯২ বার পঠিত
ইরানের দেশপ্রেমিকরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান, সাহায্য আসছে : ট্রাম্প
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া জনগণের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে তাদেরকে রাজপথে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, ইরানিদের জন্য ‘সাহায্য’ আসছে।

মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন,‘ইরানের দেশপ্রেমিকরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখলে নিন। হত্যাকারী ও নিপীড়কদের নাম সংরক্ষণ করুন। তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন,‘এই কাণ্ডজ্ঞানহীন হত্যাযজ্ঞ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য পৌঁছানোর পথে রয়েছে।’

তবে এই ‘সাহায্য’ কী ধরনের, কিংবা কবে নাগাদ তা ইরানে পৌঁছাবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প।

কূটনৈতিক আলোচনা স্থগিত

হোয়াইট হাউজ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার ইরান পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা হবে।

এর আগে গত সপ্তাহের শেষ দিকে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান সংকট সমাধানে কূটনৈতিক পথও বিবেচনায় থাকতে পারে। বিশেষ করে তেহরান আলোচনায় বসতে আগ্রহী বলে তিনি দাবি করার পর এই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

তবে সর্বশেষ বক্তব্যে দেখা যাচ্ছে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার পথ আপাতত বন্ধ রাখছেন ট্রাম্প।

‘হত্যাযজ্ঞ বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে’

এর আগেও ট্রাম্প ইরানের শাসকদের সতর্ক করে বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘উদ্ধার করতে এগিয়ে আসবে’।

ইরানে গত দুই সপ্তাহ ধরে চলমান এই সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার বলে কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে। বিপুল প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ইরানে সরাসরি হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

কীভাবে শুরু হয় বিক্ষোভ

গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানের কয়েকটি বাজারে অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে ছোট আকারের বিক্ষোভ থেকে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

মূল্যবৃদ্ধি, তীব্র মুদ্রাস্ফীতি ও রিয়ালের ব্যাপক দরপতনে ক্ষুব্ধ তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ লাগাতার রাজপথে নামতে থাকে। গত বৃহস্পতিবার থেকে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়।

এর মধ্যে ইরানের নির্বাসিত শেষ শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ছেলে রেজা পাহলভি সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানালে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের রাস্তায় জনসমুদ্র নেমে আসে।

বর্তমানে ইরানের পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪