| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আমি বঙ্গবন্ধুর দোসর ছিলাম, স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছি : লতিফ সিদ্দিকী

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১৩, ২০২৬ ইং | ১৫:৫১:১৪:অপরাহ্ন  |  ২০৪ বার পঠিত
আমি বঙ্গবন্ধুর দোসর ছিলাম, স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছি : লতিফ সিদ্দিকী

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: সাবেক মন্ত্রী Abdul Latif Siddiqui আদালতে হাজিরা দিতে এসে বলেছেন, “আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দোসর ছিলাম, স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছি, পাকিস্তান ভেঙেছি। তারই জন্য আজকে এখানে এসেছি।

বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় ঢাকার আদালতে হাজিরা দিতে এসে এসব কথা বলেন তিনি।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে হাজিরা মওকুফের আবেদন করা হলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। তবে আদালতকে লতিফ সিদ্দিকী জানান, তিনি নিজে আদালতে এসে হাজিরা দিতে চান।

এসময় বিচারকের উদ্দেশে তিনি বলেন, এভাবে বিচারব্যবস্থা চলতে পারে না। ছয় মাস আগে আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল, আজকে এসে সেই আদেশ দেওয়া হলো।

শুনানি শেষে আদালত থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, আমি আদালতে আসব, হাজিরা দেব। আমার আসতে ভালো লাগে, এটা অভ্যাস হয়ে গেছে।

জবাবে বিচারক বলেন, সেটা আপনার ইচ্ছে। আপনার আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, দেশে প্রকৃত আইনের শাসন আছে কি না, তা আদালতে এলে বোঝা যায়। একটা অনুভব হয়। সেই অনুভবকে জাগ্রত রাখতেই এখানে আসি, বলেন তিনি।

এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি।

লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী গোলাম রাব্বানী জানান, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫ ধারায় ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল, যা আদালত মঞ্জুর করেছেন। তবে তার মক্কেল আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির প্রতিবাদ ও তা প্রতিরোধের লক্ষ্যে ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে। গত বছরের ২৮ আগস্ট রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংগঠনটির উদ্যোগে একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, অনুষ্ঠান চলাকালে একদল ব্যক্তি স্লোগান দিতে দিতে সভাস্থলে প্রবেশ করে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। তারা অনুষ্ঠানের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন এবং অংশগ্রহণকারীদের লাঞ্ছিত করেন। একপর্যায়ে কয়েকজনকে বের করে দেওয়া হলেও লতিফ সিদ্দিকী ও অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৬ জনকে আটক করে। এ ঘটনায় পরদিন শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪