স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জমজমাট লড়াই উপহার দিচ্ছে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে ২-২ গোলে সমতায় রয়েছে দুই দল।
ম্যাচের নবম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে লুকা মদরিচের আঘাতে বক্সে পড়ে যান ননি মাদুয়েকে। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্পট কিকে দাঁড়ান হ্যারি কেইন।
প্রথম চেষ্টায় বাঁ দিকে নেওয়া কেইনের শট ঠেকিয়ে দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচ। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, শট নেওয়ার আগেই ডিফেন্ডার ইয়োশকো গভারদিওল বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন এবং লিভাকোভিচও গোললাইন ছেড়ে এগিয়ে এসেছিলেন। ফলে পুনরায় পেনাল্টি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। দ্বিতীয়বার আর ভুল করেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ডান দিকে জোরালো শটে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
৩১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। কেইনের পাস থেকে মাদুয়েকের নিচু ক্রস পেয়ে পেছন থেকে উঠে আসা জুড বেলিংহ্যাম গোলের সামনে বলের সংযোগ করতে ব্যর্থ হন।
এর পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচে সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া। পেতার সুসিচের চমৎকার পাস থেকে মার্টিন বাতুরিনা দূরপাল্লার শক্তিশালী শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে স্কোরলাইন ১-১ করেন।
৪২ মিনিটে আবারও ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন। ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে দুর্দান্ত হেডে বল জালে জড়িয়ে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি।
তবে বিরতিতে যাওয়ার আগে শেষ হাসি হাসে ক্রোয়েশিয়া। প্রথমার্ধের শেষদিকে মারিও পাসালিচের উঁচু পাস থেকে ইভান পেরিসিচ হেডে বল নামিয়ে দেন আনতে বুদিমির মুসার সামনে। তিনি ঠান্ডা মাথায় ভলিতে শট নিয়ে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করলে ২-২ সমতায় শেষ হয় রোমাঞ্চকর প্রথমার্ধ।
চার গোলের এই লড়াইয়ে দ্বিতীয়ার্ধে জয় তুলে নিতে দুই দলই মরিয়া হয়ে মাঠে নামবে।