রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রম বা তৎপরতা জনসমক্ষে দৃশ্যমান হওয়াকে জাতির ব্যর্থতা হিসেবে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন, নৌপরিবহন, রেলপথ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাখ্যান ও গণআকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই একটি রাজনৈতিক দল আজ নিষিদ্ধ ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেল সেতুর ঢাকা প্রান্তের ভায়াডাক্টের নিচে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ কোনো দল নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। একসময় এটি একটি রাজনৈতিক দল ছিল, কিন্তু এখন সেটি নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধই।
তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণই রাজনৈতিক দলের বৈধতা দেয়। জনগণের প্রত্যাশা ও আইনের সমন্বয়ের ফলেই একটি দলের অবস্থান নির্ধারিত হয়। জনগণের ইচ্ছা এবং গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই দলটি নিষিদ্ধ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রবিউল আলম বলেন, জাতি যখন কোনো দলকে প্রত্যাখ্যান করে এবং নিষিদ্ধ দেখতে চায়, তখন সেই বাস্তবতাই প্রতিফলিত হয়। জনগণের আন্দোলনের মুখে দলটির নেতাকর্মীরা দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
এ সময় সরকারি অব্যবহৃত জমির ব্যবহার নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন সেতুমন্ত্রী। তিনি জানান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সরকারি জমি চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বিশেষ করে তিন একরের বেশি আয়তনের জমিগুলোকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, তিন একরের বেশি জমিতে অন্তত এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এসব স্থানে সোলার প্যানেল স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি অংশ স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হবে এবং বাকি অংশ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম