| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শেরপুরে রঞ্জিত চন্দ্রের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, দেশত্যাগের হুমকি

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ২৮, ২০২৬ ইং | ১৩:১৫:০৬:অপরাহ্ন  |  ৪৩৮ বার পঠিত
শেরপুরে রঞ্জিত চন্দ্রের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, দেশত্যাগের হুমকি

স্টাফ রিপোর্টার: শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কুসুমহাটি বাজার এলাকায় এক সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, মারধর এবং দেশত্যাগের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী সেলিম আহাম্মেদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রঞ্জিত চন্দ্র দে ও তার পরিবার নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী রঞ্জিত চন্দ্র দে জানান, কুসুমহাটি বাজারে ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত ১০ শতক জমি তারা দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ভোগদখলে রয়েছেন। তবে প্রতিপক্ষ সেলিম আহাম্মেদ জোরপূর্বক জমিটি দখলের চেষ্টা করছেন। স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করে ১৪৪ ধারা জারি করান বলে অভিযোগ করেন রঞ্জিত।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর প্রতিপক্ষ জমি দখলের চেষ্টা করলে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হয়। সর্বশেষ তিনি নিজ জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করতে গেলে সেলিম আহাম্মেদ বাধা দেন। পরে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে সরে গিয়ে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রঞ্জিত চন্দ্র দে আরও দাবি করেন, বিভিন্নভাবে তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে দেশত্যাগ করে ভারতে চলে যেতে বলা হচ্ছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় জমিদাতা আলাল উদ্দিন বলেন, তারা জমিটি প্রথমে হান্নান নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন। পরে ২০১৩ সালে হান্নান রঞ্জিত চন্দ্র দের কাছে জমিটি বিক্রি করেন। ওই জমিতে সেলিম আহাম্মেদের কোনো মালিকানা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা ইন্তাজ আলী অভিযোগ করেন, সেলিম আহাম্মেদ অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছেন এবং এখনও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের এক সাবেক সদস্য বলেন, জমিটি রঞ্জিত চন্দ্র দের ক্রয়কৃত সম্পত্তি এবং সেখানে জোরপূর্বক বাধা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম আহাম্মেদ বলেন, বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন নেতা অবগত আছেন এবং তারা এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন।

শেরপুর সদর থানার এএসআই উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, আদালতের নির্দেশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আগামী ২০ তারিখ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট স্থানে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

উল্লেখ্য, জমি-সংক্রান্ত এ বিরোধ বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ফলে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।

রিপোর্টার্স/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪