| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইসলামপুর সরকারি কলেজে ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ’ পদে নিয়োগ কেন ‘অবৈধ’ নয়, জানতে হাইকোর্টের রুল

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১২, ২০২৬ ইং | ২১:৩৪:৩২:অপরাহ্ন  |  ১৭৩১ বার পঠিত
ইসলামপুর সরকারি কলেজে ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ’ পদে নিয়োগ কেন ‘অবৈধ’ নয়, জানতে হাইকোর্টের রুল

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর সরকারি কলেজে ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ’ পদে নিয়োগ কেন ‘অবৈধ’ নয়, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। একই সঙ্গে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা আবেদন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আইনানুসারে নিষ্পত্তি করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

গত ৬ জুন গণমাধ্যমে “ ইসলামপুর সরকারি কলেজে বিএনপি নেতাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ” শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়। খবর প্রকাশের পর নড়ে চড়ে বসেন সংশ্লিষ্টরা। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে একটি ঈদ আবেদন করেন কলেজের ৮ নম্বর করিম ক্রমিকে প্রভাষক প্রভাষক আহসান হাবিব রাজা। 

আবেদন সূত্রে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে বিধিবহির্ভূত নিয়োগের অভিযোগ তোলে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিট কারী শিক্ষক জ্যেষ্ঠতার ৮ নম্বর ক্রমিকে থাকা কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ আহসান হাবিব রাজা। এ ছাড়া তিনি শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট দপ্তরেও আবেদন করেছেন। 

গত ৫ জুলাই হাইকোর্টে রিট আবেদন শোনানি শেষে ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ’ পদে প্রভাষক মোহাম্মদ নূরে আলমের নিয়োগ কেন ‘অবৈধ’ নয়, তা জানতে রুল জারি করেন বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আশিফ হাসান।

রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি কলেজ-৬ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব এবং উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পরিচালক এবং কলেজটিতে তৎকালীন দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রভাষক মো. রুকন উদ্দিনসহ ছয়জনকে। 

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ এপ্রিল কলেজের  উপাধ্যক্ষ এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক আহাম্মদ আলী অন্যত্র বদলি হওয়ায় উপাধক্ষ্য ও অধ্যক্ষের পদ শূন্য হয়। একইদিন জ্যেষ্ঠ প্রভাষকে মো. রুকন উদ্দিনের কাছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন অধ্যাপক আহাম্মদ আলী। 

গত ১৮ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি কলেজ-৬ শাখার দায়িত্বে থাকা সিনিয়র সহকারী সচিব মনজুরুল আলমের স্বাক্ষরিত আদেশে ১৯ মে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নেন ভূগোল বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ নূরে আলম মনি। 

অভিযোগ উঠেছে, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রথম জ্যেষ্ঠ প্রভাষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়ার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের কাছে জেষ্ঠ্যতা লঙ্ঘনসহ ভুয়া তথ্য উপস্থাপন করে জ্যেষ্ঠতার ১৩ নম্বর ক্রমিকে থাকা নূরে আলম মনিকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ।

এ ছাড়া সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করাকালীন কোনো শিক্ষক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকা আইনের পরিপন্থী। এসত্ত্বেও রাজনৈতিক দলের পদধারী শিক্ষককে সরকারি কলেজটিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কলেজেটির একাধিক শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দেন। 

রিটকারীর আইনজীবী মুহাম্মদ মানিক মিয়া বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নিয়োগ কেন অবৈধ নয়, তা চার সপ্তাহের মধ্যে জানতে সংশ্লিষ্ট দুই বিচারপতি রোল দিয়েছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দায়ের করা অভিযোগ ৩০ দিনের নিষ্পত্তি করতে নির্দেশনা দেন।’

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নিয়োগ পাওয়া প্রভাষক মোহাম্মদ নূরে আলম মনি বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী আমাকে নিয়োগ দিয়েছে। হাইকোর্ট থেকে রিট সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র পাইনি।’

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪