| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পরীক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াংকা গান্ধীর

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ২৯, ২০২৬ ইং | ১০:২১:০৯:পূর্বাহ্ন  |  ১১৫৪১ বার পঠিত
পরীক্ষা সংস্কার কমিটিতে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ কেন, প্রশ্ন প্রিয়াংকা গান্ধীর

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ভারতের পরীক্ষা সংস্কারবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সে আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি কামাকোটিকে অন্তর্ভুক্ত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াংকা গান্ধী। তাকে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ বলে কটাক্ষ করে প্রিয়াংকা জানতে চান, পরীক্ষা সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে এমন একজনকে কেন রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) লোকসভায় প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধ আইন সংশোধনী বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গঠিত নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সের সমালোচনা করেন তিনি।

প্রিয়াংকা বলেন, কমিটিতে সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান তপন ডেকা, সাবেক ইসরো চেয়ারম্যান এস. সোমনাথ, সাবেক শিক্ষা সচিব অনিতা কারওয়াল এবং সাবেক বিহারের মুখ্যসচিব অমৃত লাল মীনার মতো ব্যক্তিদের পাশাপাশি ভি কামাকোটিকেও রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালে গোমূত্রের ‘অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল’ ও ‘অ্যান্টিফাঙ্গাল’ গুণাগুণ নিয়ে তার মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে প্রিয়াংকা তাকে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ বলে উল্লেখ করেন।

এ সময় সদ্য নিয়োগ পাওয়া কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকেও তীব্র সমালোচনার মুখে ফেলেন প্রিয়াংকা। তিনি বলেন, বিলকিস বানো মামলার দণ্ডপ্রাপ্তদের মুক্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়া একজনকে শিক্ষামন্ত্রী করা হয়েছে, যা দেশের মেয়েদের জন্য ভুল বার্তা বহন করে।

প্রিয়াংকার এই বক্তব্যের পর লোকসভায় তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু অভিযোগ করেন, এ ধরনের মন্তব্য সংসদের ভেতরে একজন ব্যক্তির চরিত্রহননের শামিল। তিনি বক্তব্যটি কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান।

শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীও প্রিয়াংকার বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের দাবি জানান। স্পিকার ওম বিড়লা তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য না করার নির্দেশ দেন। জবাবে প্রিয়াংকা বলেন, তিনি তার বক্তব্যের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপন করবেন। পরে শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে করা প্রিয়াংকার মন্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়।

বিতর্কের একপর্যায়ে প্রিয়াংকা আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালে প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধ আইন কার্যকর হলেও এখন পর্যন্ত কোনো অপরাধীর শাস্তি হয়নি। গত এক দশকে ১৫২টি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় প্রায় সাড়ে সাত কোটি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।


সূত্র: দ্য প্রিন্ট


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪