নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন বলেছেন, মাদক, হত্যা, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধে সেক্যুলার শিক্ষায় শিক্ষিতদের একটি অংশ জড়িত থাকলেও সাধারণভাবে কওমি শিক্ষার্থীদের এসব অপরাধে সম্পৃক্ততা দেখা যায় না।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ নগরীর মজলিস মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের নারায়ণগঞ্জ মহানগর ও জেলা শাখার গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সিরাজুল মামুন বলেন, ‘২৪-এর আন্দোলনের মূল কথা ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। কওমি শিক্ষার্থীরা এ দেশের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক। তাঁদের অর্জিত শিক্ষার সমমান লাভ সাংবিধানিক অধিকার।’
তিনি বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে ইমামতি ও শিক্ষকতার বাইরে অন্য পেশায় যাওয়ার সুযোগ সীমিত। পরীক্ষা দিয়ে চাকরি নেওয়ার সুযোগ দিয়ে কওমি সনদের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।
কওমি সনদের স্বীকৃতির দাবিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের ১৩ দফা আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু মাস্টার্স নয়, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিকসহ শিক্ষার সব স্তরে কওমি শিক্ষার ধারাবাহিক স্বীকৃতি দিতে হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব