| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জলাশয় উদ্ধারে জোর দিচ্ছে সিলেট সিটি করপোরেশন: কাইয়ুম চৌধুরী

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬ ইং | ১৪:৪০:০১:অপরাহ্ন  |  ৩২৬৯ বার পঠিত
জলাশয় উদ্ধারে জোর দিচ্ছে সিলেট  সিটি করপোরেশন: কাইয়ুম চৌধুরী

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীকে বন্যা ও জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত রাখতে জলাশয় উদ্ধারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে নগরীর কয়েকটি জলাশয় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর দরগা গেইট এলাকার একটি হোটেলের হলরুমে সিলেট সিটি করপোরেশন ও এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, একসময় সিলেট নগরীতে প্রায় ৯০০টি পুকুর ও ডোবা ছিল। সময়ের সঙ্গে এসব জলাশয়ের অনেকগুলো ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে সামান্য অংশই অবশিষ্ট রয়েছে। পাশাপাশি সুরমা নদীর পানি ধারণক্ষমতাও আগের তুলনায় কমে গেছে। ফলে অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিত এবং পানি মানুষের বাড়িঘরে ঢুকে পড়ত।

তিনি বলেন, নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যকর করতে সিটি করপোরেশন গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। পানি প্রবাহের পথ হিসেবে ব্যবহৃত ড্রেন ও ছড়াগুলো পরিষ্কার করার পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে এর সুফল পাওয়া গেছে। এবার অতিবৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও সিলেট নগরীতে বড় ধরনের জলাবদ্ধতা হয়নি।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, জলাশয় শুধু পানি ধারণ করে না; নগরের পরিবেশ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই দখল বা ভরাট হয়ে যাওয়া জলাশয় ও ডোবা পর্যায়ক্রমে উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষিত রাখতে এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

নগরবাসীকে বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে সুরক্ষা দিতে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সিলেট নগরবাসী বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাবেন।

তিনি আরও বলেন, একটি উন্নত ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এবার অতিবৃষ্টির পরও নগরীতে বড় ধরনের জলাবদ্ধতা না হওয়া সম্মিলিত উদ্যোগের একটি ইতিবাচক উদাহরণ।

নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ছড়া, ড্রেন ও জলাশয়ে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। পাশাপাশি জলাশয় ও ডোবা উদ্ধারের উদ্যোগেও সিটি করপোরেশনকে সহযোগিতা করতে হবে। নগরবাসী সচেতন ও দায়িত্বশীল হলে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও জলাবদ্ধতামুক্ত সিলেট গড়ে তোলা আরও সহজ হবে।

এসএনভির নগরভিত্তিক পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর প্রকল্পের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মোছাম্মদ রাহিমা বেগমের সঞ্চালনায় কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪