স্পোর্টস ডেস্ক: অর্থ বিভাগের অনুমোদন না পাওয়ায় জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা প্রদানে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০০ ক্রীড়াবিদকে প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে ভাতা দেওয়ার জন্য ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও অনুমোদন প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কর্মসূচিটি অনুমোদিত হলে জাতীয় দলের ভাতাপ্রাপ্ত খেলোয়াড়রা জুলাই ২০২৬ থেকে বকেয়াসহ নিয়মিত ভাতা পাবেন।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে একটি বিশেষ থোক বরাদ্দের ৯ কোটি টাকা থেকে বিভিন্ন ইভেন্টে জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখা ৩০০ ক্রীড়াবিদকে দুই ধাপে গত এপ্রিল থেকে মাসিক ১ লাখ টাকা করে ক্রীড়া ভাতা দেওয়া শুরু হয়।
পরবর্তী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০০ ক্রীড়াবিদকে একই হারে ভাতা দেওয়ার জন্য বাজেটে ৬০ কোটি টাকা এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ প্রতিযোগিতার জন্য ১৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। অর্থাৎ ‘নন-এডিপি স্কিম’ খাতে মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ক্রীড়া ভাতার জন্য বরাদ্দকৃত ৬০ কোটি টাকা এবং পরবর্তী চার অর্থবছরে আরও ২৪০ কোটি টাকাসহ মোট ৩০০ কোটি টাকার পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসূচির প্রস্তাব যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল। তবে অর্থ বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পাঁচ বছরের পরিবর্তে এক বছরের কর্মসূচি হিসেবে নতুন প্রস্তাব পাঠাতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে অনুরোধ করা হয়।
সব প্রক্রিয়া শেষে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এক বছরের সংশোধিত কর্মসূচি এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের পাঠানো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’-এর ১৪০ কোটি টাকার কর্মসূচি মিলিয়ে মোট ২০০ কোটি টাকার প্রস্তাব গত ৩১ আগস্ট অর্থ বিভাগের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ভাতা জুলাই থেকে দেওয়ার কথা থাকলেও অর্থ সরাসরি মন্ত্রণালয়ের বাজেটে বরাদ্দ না হয়ে ‘নন-এডিপি স্কিম’ খাতে বরাদ্দ হওয়ায় আগে কর্মসূচি প্রণয়ন এবং অর্থ বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হয়েছে। ফলে সেপ্টেম্বরের আগে ভাতা পরিশোধের সুযোগ ছিল না।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব