| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

গাজীপুরে কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৬২৭ শ্রমিক ছাঁটাই

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬ ইং | ১৩:৫৭:১৫:অপরাহ্ন  |  ১৬৯৯ বার পঠিত
গাজীপুরে কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৬২৭ শ্রমিক ছাঁটাই

নিজস্ব প্রতিবেদক:  গাজীপুরের কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় কেয়া গ্রুপের চারটি প্রতিষ্ঠানের ৬২৭ শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন এ তথ্য জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে কারখানার প্রধান ফটকে ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের নামের তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়। ওই তালিকা দেখতে কারখানার সামনে ভিড় করেন শ্রমিকরা। এসময় তাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ দেখা যায়।

ছাঁটাই করা কারখানাগুলো হলো, কেয়া গ্রুপের নীট কম্পোজিট ডিভিশন, স্পিনিং ডিভিশন, কটন ডিভিশন ও কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেড। কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত ছাঁটাই নোটিশ গত সোমবার সন্ধ্যায় কারখানার প্রধান ফটকের সাঁটিয়ে দেওয়া হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং জটিলতা, গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা এবং প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত জনবল থাকার কারণে উৎপাদন ও প্রশাসনিক ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য বিভিন্ন সেকশন, বিভাগ ও ডিভিশনের কিছু পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ২০ ধারা অনুযায়ী কারখানার অতিরিক্ত শ্রমিক ও কর্মচারীদের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ছাঁটাই করা হবে। তাদের আইনানুগ পাওনা পরিশোধ করা হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে কারখানায় নতুন কর্মী নিয়োগের প্রয়োজন হলে শ্রম আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী ছাঁটাই হওয়া দক্ষ শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বর্তমানে যাদের চাকরি বহাল আছে, তারা লে-অফের আওতায় থাকবেন এবং আইন অনুযায়ী লে-অফের সুবিধা পাবেন।

কেয়া গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে শ্রম আইন অনুযায়ী সব পাওনা পরিশোধ করা হবে।

গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, কেয়া গ্রুপের কর্তৃপক্ষ ৬২৭ জনকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কারখানার প্রধান ফটকে শিল্প পুলিশের পাশাপাশি গাজীপুর মহানগর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কারখানা কর্তৃপক্ষের নোটিশ অনুযায়ী, ব্যাংকিং জটিলতা ও গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় গত ৬ জুন থেকে কারখানাটি লে-অফে রয়েছে। এরপর কয়েক দফায় লে-অফের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এম এইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪