| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

স্বাধীন বাংলাদেশের আদর্শের বিপরীতে জিন্নাহ কি করে স্মরণযোগ্য হবেন?

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ইং | ২২:৫৪:৩৪:অপরাহ্ন  |  ২৩৬৯ বার পঠিত
স্বাধীন বাংলাদেশের আদর্শের বিপরীতে জিন্নাহ কি করে স্মরণযোগ্য হবেন?

নোমান হাসান:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংস্কারকৃত জাদুঘর নতুন করে খোলার পর ১৪ সেপ্টেম্বর যে বিতর্কের জন্ম হয়েছে, তা নিছক কয়েকটি ছবি সংযোজন বা অপসারণের ঘটনা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের ইতিহাসের পাঠ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতীয় স্মৃতির রাজনৈতিক তাৎপর্য।

জাদুঘরটি পুনরায় খোলার পর দেখা যায়, বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো বিশিষ্ট একক প্রতিকৃতি নেই। অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি সেখানে স্থান পেয়েছে। এর একটি ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার মুহূর্তের ছবি, অন্যটি ১৯৪০ সালের লাহোর অধিবেশনের এবং তৃতীয়টি পাকিস্তানের ডন পত্রিকায় প্রকাশিত ১৯৭০ সালের নির্বাচনী প্রতিবেদন থেকে নেওয়া।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক শিক্ষার্থী জিন্নাহর ছবিগুলো ছিঁড়ে ফেলেন। পরে প্রতিবাদকারীরা সেই স্থানে গোলাম আযমকে জুতাপেটা করার একটি ছবি টাঙিয়ে দেন। ডাকসু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ছবিগুলো ঐতিহাসিক ঘটনা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা হয়েছে, জিন্নাহকে মহিমান্বিত করার জন্য নয়। ইতিহাসের জটিল চরিত্র ও ঘটনাকে জাদুঘরে স্থান দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ক্ষমতার সম্পর্ক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা জরুরি। বিশেষ করে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের জাদুঘরে, যার ইতিহাস ভাষা আন্দোলন, গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত।

প্রশ্ন হলো, স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিতে জিন্নাহর অবস্থান কী হওয়া উচিত? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকানো প্রয়োজন।

জিন্নাহর পাকিস্তান ভাবনা ও রাজনৈতিক কৌশল কী ছিল? ইতিহাসবিদ আয়েশা জালাল তাঁর আলোচিত গবেষণাগ্রন্থ দ্য সোল স্পোকসম্যান: জিন্নাহ, দ্য মুসলিম লীগ অ্যান্ড দ্য ডিমান্ড ফর পাকিস্তান (The Sole Spokesman: Jinnah, the Muslim League and the Demand for Pakistan)-এ দেখিয়েছেন, জিন্নাহর পাকিস্তান-দাবির রাজনৈতিক কৌশল ছিল বহুমাত্রিক। তাঁর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জিন্নাহ শুরুতে পাকিস্তান দাবিকে অখণ্ড ভারতের মধ্যে মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোর জন্য অধিক স্বায়ত্তশাসন আদায়ের দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করেছিলেন। অর্থাৎ, পাকিস্তানের দাবিকে শুরু থেকেই একটি সরল, অপরিবর্তনীয় বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা হিসেবে দেখলে বিষয়টির জটিলতা আড়াল হয়ে যায়।

১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট মুসলিম লীগের ডাকা ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে’কে কেন্দ্র করে কলকাতায় ভয়াবহ দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক দিনে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারান। এই রাজনৈতিক আহ্বান, তার পরিণতি এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিস্তার নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে নানা বিশ্লেষণ রয়েছে। তবে এ কথা অনস্বীকার্য যে, উপমহাদেশের বিভাজন-পূর্ব রাজনীতিতে জিন্নাহর নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাঁর রাজনৈতিক কৌশল সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বৃদ্ধির বৃহত্তর প্রেক্ষাপট থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখা যায় না।

জিন্নাহর ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যেও একটি উল্লেখযোগ্য বৈপরীত্য ছিল। স্ট্যানলি ওলপার্টের জিন্নাহ অব পাকিস্তান (Jinnah of Pakistan) গ্রন্থে তাঁকে পশ্চিমা পোশাকে অভ্যস্ত, পাশ্চাত্য জীবনযাপনে অভ্যস্ত একজন ব্যারিস্টার হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। উর্দু ভাষায় তাঁর স্বাচ্ছন্দ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অথচ রাজনৈতিক প্রয়োজনে তিনিই মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় পরিচয় ও নিরাপত্তার প্রশ্নকে পাকিস্তান আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ভিত্তিতে পরিণত করেন।

এই বৈপরীত্য তাঁর সমসাময়িকদের কাছেও অজানা ছিল না। ১৯৪১ সালে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠা করা মাওলানা আবুল আ'লা মওদূদী তাঁর পত্রিকা তারজুমান-উল-কোরআন-এ জিন্নাহ ও মুসলিম লীগের সমালোচনা করতেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, মুসলিম লীগ নেতৃত্বের রাজনৈতিক চিন্তা ইসলামের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং তারা রাজনৈতিক স্বার্থকে ইসলামের নামে উপস্থাপন করছে। মওদূদী মুসলিম লীগকে ব্যঙ্গ করে ‘জামায়াত-ই-জাহিলিয়াত’ বা ‘অজ্ঞতার দল’ বলে অভিহিত করেছিলেন। জিন্নাহর ইসলাম-সম্পর্কিত জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন।

অতএব, জিন্নাহর ধর্মীয় রাজনীতির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন কেবল পরবর্তী সময়ের ধর্মনিরপেক্ষ সমালোচকদের কাছ থেকে আসেনি। তাঁর সময়ের ইসলামপন্থী চিন্তাবিদদের মধ্যেও এ বিষয়ে তীব্র মতভেদ ছিল। এই ঐতিহাসিক বিতর্ক বিবেচনায় না নিয়ে জিন্নাহকে বাংলাদেশের ধর্মীয়-জাতীয় প্রতীকে পরিণত করার চেষ্টা করলে তা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিককে আড়াল করবে।

আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, ১৯৪৮ সালের মার্চে জিন্নাহর ঢাকা সফর পাকিস্তান রাষ্ট্রের ভাষানীতি ও কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচিত করে। ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে অবস্থান নেন। তাঁর বক্তব্যের বিরুদ্ধে উপস্থিত ছাত্রদের একাংশ প্রতিবাদ জানায়। তৎকালীন পাকিস্তানের জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের মাতৃভাষা ছিল বাংলা। ফলে ভাষার প্রশ্নটি কেবল সাংস্কৃতিক পরিচয়ের বিষয় ছিল না, তা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, প্রশাসনিক সুযোগ এবং নাগরিক সমতার সঙ্গেও সম্পর্কিত ছিল।

জিন্নাহর ঘোষণার পর ভাষা আন্দোলনের যে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ ঘটে, তা ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে রক্তাক্ত পরিণতি লাভ করে। ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগ বাঙালির জাতীয় চেতনার অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে এই চেতনা যুক্ত হয় স্বায়ত্তশাসনের দাবি, ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে।

ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় নির্মাণে যে ভূমিকা রেখেছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে জিন্নাহর ভাষানীতির অবস্থানকে এই ইতিহাসের প্রেক্ষাপটেই মূল্যায়ন করতে হবে।

জিন্নাহ ১৯৪৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কাঠামো পরবর্তী দুই দশকে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যকে গভীরতর করে। এই বৈষম্যের জন্য পরবর্তী শাসকগোষ্ঠী, সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্র এবং রাষ্ট্রীয় নীতির ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তান সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের হিসাবের ভিত্তিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪৮–৪৯ থেকে ১৯৬৮–৬৯ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে সম্পদ স্থানান্তরের পরিমাণ তৎকালীন হিসাবে প্রায় ২৬০ কোটি ডলার সমতুল্য ছিল। একই সময়ে পূর্ব পাকিস্তান পাকিস্তানের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ অর্জন করলেও আমদানি-বরাদ্দের ক্ষেত্রে তার অংশ ছিল মাত্র ২৫ শতাংশ। পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবদান এবং রাষ্ট্রীয় বরাদ্দের মধ্যে যে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছিল, তা বাঙালির মধ্যে বঞ্চনার অনুভূতি আরও তীব্র করে।

শিক্ষাখাতেও বৈষম্যের চিত্র দেখা যায়। অক্সফোর্ডের গবেষক মোহাম্মদ নিয়াজ আসাদুল্লাহর গবেষণায় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে বৈষম্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, পূর্ব পাকিস্তানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রবণতা ছিল। অন্যদিকে, জনসংখ্যা কম হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিম পাকিস্তান বিদ্যালয়ের সংখ্যা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতের ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যায়।এই বৈষম্য কোনো একক সিদ্ধান্তের ফল ছিল না। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন, অর্থনৈতিক সম্পদ বণ্টনের অসমতা এবং সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্রের আধিপত্য মিলেই এর ভিত্তি তৈরি করেছিল।

১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২৩৭টি আসনের মধ্যে ২২৩টিতে জয়লাভ করে। মুসলিম লীগ মাত্র ১০টি আসন পায়। এই নির্বাচনের ফল পূর্ব বাংলার জনগণের রাজনৈতিক মনোভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ ছিল। এটি পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা ও মুসলিম লীগের রাজনীতির বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার ভোটারদের সুস্পষ্ট গণরায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

এরকম ক্রমশ আমরা দেখতে পাই দ্বিজাতি তত্ত্বের ঐতিহাসিক করুণ পরিণতি। জিন্নাহর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব। কিন্তু পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, ধর্মীয় অভিন্নতা একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক অধিকারসংক্রান্ত বিরোধ দূর করতে পারে না।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালির স্বাধীনতার দাবিকে দমন করতে পরিচালিত সামরিক অভিযান ও গণহত্যা রাষ্ট্রটির গভীর রাজনৈতিক সংকটকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যায়। পাকিস্তান সরকারের গঠিত হামুদুর রহমান কমিশনও রাষ্ট্রের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা এবং পূর্ব পাকিস্তানে সংঘটিত ঘটনাবলি নিয়ে তদন্ত করে। অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের দ্য রেপ অব বাংলাদেশ (The Rape of Bangladesh) গ্রন্থসহ বিভিন্ন গবেষণা ১৯৭১ সালের সহিংসতা, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও মানবিক বিপর্যয়ের বিবরণ তুলে ধরেছে। বাংলাদেশের জন্মের মধ্য দিয়ে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভ্রান্তি এবং সীমাবদ্ধতা ঐতিহাসিকভাবে প্রকাশিত হয়। ধর্মীয় পরিচয় কোনো জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি, রাজনৈতিক অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষাকে বিলীন করে দিতে পারে না। বাঙালির জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধ সেই সত্যেরই একটি ঐতিহাসিক প্রকাশ।

জিন্নাহ নিশ্চয়ই ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। উপমহাদেশের বিভাজন, পাকিস্তান আন্দোলন এবং পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে তাঁর ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিকে জাদুঘরে স্থান দেওয়া এবং তাঁকে জাতীয় আদর্শের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এক বিষয় নয়।স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতির কেন্দ্রে থাকা উচিত ভাষাশহীদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং সেইসব মানুষ, যাঁরা বাঙালির ভাষা, অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। তাঁদের ইতিহাসকে আড়াল করে এমন কোনো প্রতীকী পুনর্বিন্যাস গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যা স্বাধীনতার সংগ্রামের মূলে কুঠারাঘাত করে। সুতরাং দ্ব্যর্থহীনভাবেই বলা যায়, ভাষা শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধারাই কেবল এই জাতির স্মৃতিতে জায়গা পাওয়ার যোগ্য, কোনোমতেই জিন্নাহ নন।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪