| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভাঙনের কবলে গড়াই নদীর বাধঁ, হুমকির মুখে ৫’শত পরিবার

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ইং | ১৯:৪৩:৪৭:অপরাহ্ন  |  ৪০৯ বার পঠিত
ভাঙনের কবলে গড়াই নদীর বাধঁ, হুমকির মুখে ৫’শত পরিবার


শ্রীপুর(মাগুরা) প্রতিনিধি:মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমলসার ইউনিয়নের কোদলা গ্রাম এলাকায় গড়াই নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনের ব্যবধানে নদী ভাঙনে ইতোমধ্যে প্রায় ১০ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে হারিয়ে গেছে বেশ কয়েকজন কৃষকের সারা বছরের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন। ক্ষনিকের মধ্যে নিজেদের পৈত্রিক ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হতে দেখে অনেকেই হতাশ হয়েছেন।  অসহায় ও নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন অনেক পরিবার।

ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হতে না হতেই গড়াই নদীর ভাঙন বর্তমানে এমনই ভয়ংকর রুপ ধারণ করেছে যে,গড়াই নদীর বাঁধ রক্ষা বেড়িবাঁধটি খুবই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ২-৩ দিনের ব্যবধানে গড়াই নদীর তীব্র ভাঙনের কবলে বেড়িবাঁধটির বেশকিছু অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে । অব্যাহতভাবে ভাঙতে থাকলে অতিদ্রুতই এ বেড়িবাঁধটি নদী গর্ভে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। বেড়িবাঁধটি নদী গর্ভে বিলীন হতে না হতেই কোদলা গ্রামের অন্তত ৫ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে এবং শত শত একর জমির ফসল তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধন হবে । তাছাড়া এই বেড়িবাঁধটি ভেঙে গেলে গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র পথটি বন্ধ হয়ে যাবে। তখন সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের আর সীমা থাকবে না ।

উপজেলা ও জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিকট এলাকাবাসীর দাবী, যতদ্রুত সম্ভব সরকারীভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা । নইলে,ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির সম্ভাবনা বিদ্যমান রয়েছে।

এ বিষয়ে কোদলা গ্রামের ৬৫ বছর বয়সী মোকাররম আলী বলেন, নদীর পাড়েই আমার বাড়ি। এখানে আমাদের এলাকার অনেকের অনেক জায়গা জমি ছিলো। কিন্ত নদী ভাঙতে ভাঙতে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। যাও আছে,বেড়িবাঁধটি ভেঙে গেলে সেটাও নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়বে।  

একই গ্রামের বৃদ্ধা অনিতা রাণী বলেন, আমার বাপের বাড়ি নদীর ওপারে। বিয়ের পর ৩৫ বছর ধরে আমি এই গ্রামে বাস করছি। আমি দেখেছি, একসময় এখানে এই এলাকার মানুষ চাষাবাদ করতো। গরু-ছাগল বাঁধতো। ছেলেরা মাঠে খেলা করতো। সব এখন নদী গর্ভে চলে গেছে।

কোদলা গ্রামের বাসিন্দা নাসিমা বেগম বলেন, রাতে ভয়ে ঘুমাতে পারিনা। শুধু আতঙ্কে থাকি ঘুমের মাঝে কখন যেন নদী আমাদের ডুবিয়ে দেয়।

এবিষয়ে আমলসার ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন বলেন,এলাকাটি আমলসার ইউনিয়নের অন্তর্গত হলেও নদীটি পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়ন্ত্রণ করে। সেক্ষেত্রে, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।  

এ বিষয়ে মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সন্তোষ কর্মকার বলেন, আমলসার ইউনিয়নের কোদলা স্থানের নদী ভাঙনের ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করছি। সেখানে যদি কাজ করার অনুমতি পাই তাহলে অতি দ্রুত কাজ করা হবে।

 রিপোটার্স২৪/আরাফাত

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪