| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পাকিস্তান ও সন্ত্রাসবাদ: যখন পরিস্থিতির পালাবদল ঘটে

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ইং | ০৯:৪৬:১৩:পূর্বাহ্ন  |  ১২২ বার পঠিত
পাকিস্তান ও সন্ত্রাসবাদ: যখন পরিস্থিতির পালাবদল ঘটে

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

তিনি তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) নাম উল্লেখ করে বলেন, আফগান ভূখণ্ড যেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করতে তালেবান সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শেহবাজ শরিফের অভিযোগ, আফগানিস্তানে থাকা এসব গোষ্ঠী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এ কারণে আফগান তালেবান সরকারের প্রতি এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তবে পাকিস্তানের এমন অভিযোগের প্রেক্ষাপটে দেশটির সঙ্গে আফগান তালেবানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। অতীতে আফগানিস্তানের তালেবানকে পাকিস্তানের সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে আর্থিক সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য সহযোগিতার বিষয়ও রয়েছে।

তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। পাকিস্তান একসময় আফগান তালেবানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখলেও বর্তমানে টিটিপিকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে। ইসলামাবাদের অভিযোগ, আফগানিস্তানের মাটিতে অবস্থান করে টিটিপি পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে।

পাকিস্তান বারবার আফগান তালেবান সরকারের কাছে টিটিপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে তালেবান সরকার পাকিস্তানের এসব অভিযোগের সঙ্গে একমত নয় এবং দুই দেশের সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে পাল্টা অভিযোগও করে আসছে। শেহবাজ শরিফের জাতিসংঘের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের মাটিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি এবং দুই দেশের নিরাপত্তা বিরোধ আবারও আন্তর্জাতিক আলোচনায় উঠে এসেছে।

হাক্কানি নেটওয়ার্ককে এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়। পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে এই গোষ্ঠীর ঘাঁটি এবং দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নিয়ে বহু বছর ধরে অভিযোগ রয়েছে।

২০১১ সালে তৎকালীন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা মাইক মুলেন হাক্কানি নেটওয়ার্ককে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তবে পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে। এখন পাকিস্তান আফগানিস্তানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর ঘাঁটি নিয়ে অভিযোগ করছে। তাই হাক্কানি নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রেও পাকিস্তান কেন একই ধরনের অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফেরার পর তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তাদের বিজয়কে স্বাগত জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তালেবান সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী টিটিপিকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়েছে। এতে প্রশ্ন উঠছে, তালেবানকে নিয়ে পাকিস্তানের আগের হিসাব কি ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

পাকিস্তানের অবস্থানের পরিবর্তন সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় দেশটির নীতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। তালেবান যখন আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কাজ করছিল, তখন ইসলামাবাদ তাদের প্রতি সমর্থন দেখিয়েছে। কিন্তু এখন তালেবানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কিছু গোষ্ঠী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করায় দেশটি আফগানিস্তানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর আশ্রয় নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে। পাকিস্তানের জনগণও সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছে।

টিটিপি পাকিস্তানের জন্য একটি বড় নিরাপত্তা হুমকি এবং তাদের হামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তবে অন্য দেশগুলোর সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নিহত মানুষের জীবনকেও একই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

পাকিস্তান অতীতেও টিটিপি ও অন্যান্য পাকিস্তানবিরোধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে। তাই প্রশ্নটি শুধু পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়েছে কি না, তা নয়। বরং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে দেশটির নীতি কেন ভিন্ন হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান যদি নীতিগত হয়, তাহলে সব সশস্ত্র গোষ্ঠীর ক্ষেত্রেই একই মানদণ্ড প্রয়োগ করা উচিত।

যে গোষ্ঠীই হোক না কেন, অন্য দেশে হামলা, অর্থায়ন বা যোদ্ধা নিয়োগের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে একই ধরনের অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।

পাকিস্তানের নীতিতে এই ধরনের স্ববিরোধিতা থাকলে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে দেশটির বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তার মতে, শুধু বক্তব্য নয়, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়াও জরুরি। লেখায় লস্কর-ই-তৈয়বাকে এর একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা এই পাকিস্তানভিত্তিক গোষ্ঠীকে ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলাসহ বিভিন্ন হামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক জামাত-উদ-দাওয়াকে লস্কর-ই-তৈয়বার অর্থায়ন ও সহায়তার সঙ্গে যুক্ত সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জইশ-ই-মোহাম্মদও জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা আরেকটি সংগঠন। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহার। জাতিসংঘের নথিতে আল-কায়েদা ও তালেবানের সঙ্গে জইশ-ই-মোহাম্মদের সম্পর্ক এবং কাশ্মীরে হামলার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মোহাম্মদের একটি ঘাঁটি থাকার খবরও প্রকাশিত হয়। এসব ঘটনা তুলে ধরে লেখক পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদবিরোধী নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

হিজবুল মুজাহিদিন কাশ্মীরে সক্রিয় একটি দীর্ঘদিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী। তারা ভারতীয় শাসনের অবসান ঘটিয়ে কাশ্মীরকে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করার দাবি করে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গোষ্ঠীটি ভারতীয় নিরাপত্তাকর্মী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ওপর বিভিন্ন হামলা, অপহরণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত। ২০২৬ সালের জুনের কয়েকটি প্রতিবেদনে গোষ্ঠীটির নেতা সৈয়দ সালাহউদ্দিনকে পাকিস্তানে অবস্থানরত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হারাকাত-উল-মুজাহিদিনও কাশ্মীরকেন্দ্রিক আরেকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। জাতিসংঘের নথিতে পাকিস্তানের মুজাফফরাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিকে এই গোষ্ঠীর ঘাঁটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কাশ্মীরে হামলা, যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়ও এসব নথিতে উঠে এসেছে। ১৯৯৯ সালে একটি ভারতীয় বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায়ও গোষ্ঠীটির সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যুক্তি হতে পারে, পাকিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী ও সীমান্তপারের সহিংসতার সম্পর্ক শুধু আফগানিস্তানকেন্দ্রিক নয়। এ ধরনের অভিযোগ ও ঘটনাপ্রবাহ কয়েক দশক ধরে কাশ্মীরসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত।

২০২৫ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন, প্রশিক্ষণ ও অর্থায়নের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অতীত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রায় তিন দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য পাকিস্তান ‘এই নোংরা কাজ’ করেছে। তিনি এটিকে পাকিস্তানের জন্য একটি ভুল নীতি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এর ক্ষতির কথাও বলেন। তবে প্রশ্ন, এই নীতির কারণে আফগানিস্তানের জনগণ যে ক্ষতির শিকার হয়েছে, তার দায় কে নেবে? শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে পাকিস্তান কি নিজেদের দায় এড়াতে পারে?

পাকিস্তান যদি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানকে বিশ্বাসযোগ্য করতে চায়, তাহলে তালেবানের কাছে যে ধরনের পদক্ষেপ দাবি করছে, নিজেদের দেশেও তা বাস্তবায়ন করতে হবে। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নিতে হবে, যা বাস্তবে কার্যকর এবং যাচাই করা সম্ভব। এর মধ্যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর অর্থায়ন বন্ধ করা, নতুন সদস্য সংগ্রহ ঠেকানো এবং তাদের সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ রয়েছে। কোনো গোষ্ঠীর সঙ্গে অতীতের রাজনৈতিক বা কৌশলগত সম্পর্ক যেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পথে বাধা না হয়। এসব পদক্ষেপ না নেওয়া হলে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে পাকিস্তানের বক্তব্য শুধু কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এতে দেশটির নিজস্ব সন্ত্রাসবাদী সমস্যা এবং নিরাপত্তা ঝুঁকিও থেকে যাবে।

২০১১ সালে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনও পাকিস্তানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, নিজের বাড়ির উঠানে সাপ রেখে তারা শুধু প্রতিবেশীদের কামড়াবে, এমন আশা করা যায় না। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো একসময় দেশটির জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছিলেন।

পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের এই নীতির কারণেই ২০২৬ সালে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে দেশটির বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ইসলামাবাদ নিজের দেশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা বন্ধ করতে চায়। তবে একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তার বিষয়েও একই নীতি প্রয়োগ করতে হবে।  তার মতে, কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী পাকিস্তানের স্বার্থে কাজ করলে তাদের কর্মকাণ্ডকে কম গুরুত্ব দেওয়া যায় না। সন্ত্রাসবাদ যে দেশের বিরুদ্ধেই হোক, সেটিকে একইভাবে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তানের বর্তমান বিরোধকে দেশটির পুরোনো নীতির পুরোপুরি পরিবর্তন হিসেবে দেখা যায় না। প্রকৃত পরিবর্তন তখনই বোঝা যাবে, যখন পাকিস্তান নিজেদের স্বার্থে সশস্ত্র গোষ্ঠী ব্যবহারের নীতি থেকে সরে আসবে। তিনি আরো বলেন, পাকিস্তান যদি শুধু তখনই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলে, যখন তারা ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাহলে এটিকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নীতিগত অবস্থান বলা কঠিন। সে ক্ষেত্রে শুধু পাকিস্তান ও এসব গোষ্ঠীর সম্পর্কের ধরন বদলেছে, কিন্তু সহিংসতার শিকার মানুষের জীবনকে দেখার মানদণ্ড একই রয়ে গেছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আফগানিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের আশ্রয়স্থল হিসেবে উল্লেখ করার আগে আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি তৈরিতে পাকিস্তানের ভূমিকা ব্যাখ্যা করা উচিত।  আফগান জনগণ তালেবানকে সমর্থন করার জন্য পাকিস্তানকে কখনো আহ্বান জানায়নি। তাই তালেবানকে নিয়ে পাকিস্তানের অতীত নীতির ভুল হিসাবের মূল্য আফগানিস্তানের জনগণের দেওয়া উচিত নয়।

এই লেখাটি নাতিক মালিকজাদার লেখা একটি মতামতধর্মী নিবন্ধের ভাবানুবাদ। এতে লেখক পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদবিরোধী নীতি ও আফগানিস্তানের সঙ্গে দেশটির বর্তমান বিরোধ নিয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন। নাতিক মালিকজাদা একজন তাজিক-আফগান সাংবাদিক, মানবাধিকার গবেষক এবং অধিকারকর্মী।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪