বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে চার দিন আগে নিখোঁজ হওয়া অটোরিকশাচালক আশাদুল ইসলামের (২৫) অর্ধগলিত মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার করতোয়া নদী থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। নিহত আশাদুল শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের কাফুরা গ্রামের আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে মোহন নামের এক ব্যক্তি করতোয়া নদীর ধার দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দিলে শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। বিকেলে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আশাদুলের অর্ধগলিত মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহতের পরিবার জানায়, শনিবার দুপুরে জীবিকার তাগিদে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আশাদুল। এরপর আর তিনি ঘরে ফেরেননি। স্বজনেরা সম্ভাব্য নানা জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় গত রোববার (২৫ অক্টোবর) আশাদুলের মা আঞ্জুয়ারা বেগম শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগে তাঁকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে রাখা হতে পারে। নিহতের অটোরিকশা উদ্ধার ও ঘটনার পেছনে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এ ঘটনায় থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব