রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: কার্তিকের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীতের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। শেষরাতে গ্রামাঞ্চলে ঠান্ডার অনুভূতির পাশাপাশি নদী অববাহিকায় দেখা মিলছে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার।
এরমধ্যে আগামী তিন মাসে দেশে সর্বোচ্চ ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের দীর্ঘমেয়াদি এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, আগামী তিন মাসে চার থেকে ছয়টি মৃদু ও মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে।
ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে শীতের প্রকোপ বাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশার ঘনত্বও বৃদ্ধি পেতে পারে।
পূর্বাভাসে আরো জানানো হয়েছে, পুরো সময়জুড়ে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শৈত্যপ্রবাহের সময় বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে।
এ ছাড়া বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। এরমধ্যে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ মো. মমিনুল ইসলাম জানান, জানুয়ারি পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে এসব লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকাসহ বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসতে পারে। এতে ঠান্ডার অনুভূতি বাড়বে। শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম