রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বৈরী আবহাওয়া ও অন্যান্য অনিবার্য কারণে চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ভুল প্রণয়নের দায়ে সংশ্লিষ্টদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া ভুল প্রশ্নের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্তও জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তবে সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ, বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে অনেক পরীক্ষার্থী নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।
তিনি বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তাই বিশেষ বিবেচনায় যেসব শিক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষার সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে এ বিশেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভুল প্রশ্ন প্রণয়নের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে তিনি জানান, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে থাকা ত্রুটির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার দ্রুত সমাধানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম