| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

উলিপুরে ট্রাক্টরের গতি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে হামলা,আহত ৩

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ০২, ২০২৫ ইং | ১৪:০৭:০৩:অপরাহ্ন  |  ১২৪৫৪৫০ বার পঠিত
উলিপুরে ট্রাক্টরের গতি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে হামলা,আহত ৩
ছবির ক্যাপশন: উলিপুরে ট্রাক্টরের গতি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে হামলা,আহত ৩

স্টাফ রিপোর্টার,কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের উলিপুরে ইট ভাটার ট্রাক্টর চলাচলের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে বলায় এলাকাবাসীর সাথে ৯ নং ওয়ার্ড সাবেক আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ট্রাক্টর চালকদের বাকবিতন্ডার সৃষ্টি, ঘটনা দেখতে গিয়ে হামলার শিকার ওই ইউনিয়নের জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদকসহ তিন ভাই।

বর্তমানে তারা গুরুতর আহত হয়ে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি। এলাকা জুড়ে উত্তেজনা। ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার বুড়া বুড়ি ইউনিয়নে।

হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন আহতদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বুড়া বুড়ি  ইউনিয়নে ভাটায় যে সকল ট্রাক্টর চলাচল করে তারা গ্রামের রাস্তায় চলাচলের গতি নিয়ন্ত্রণ করে না এবং যেনতেন ভাবে ট্রাক্টর চালিয়ে বেড়ায় এতে করে প্রায়ই ছোটখাটো এক্সিডেন্ট হয়ে থাকে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাতটার দিকে কয়েকটি ট্রাক্টর মালামাল পরিবহনে বেপরোয়া গতিতে চালালে এলাকাবাসীরা বাধা প্রদান করে, সে সময় এলাকাবাসীর সাথে ট্রাক্টর চালকদের বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়, তখন খবর পেয়ে বুড়া বুড়ি  ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল ওহাব বাচ্চার নেতৃত্বে বিদ্যুৎ, কাজল, বিপুল, সবুজ, ফারুক হোসেন, নূরনবী নুনু, সাইদুল, মুরাদ, মাইদুল সহ এসে এলাকাবাসীর সাথে বাগ বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পাশের চায়ের দোকানে থাকা ওই এলাকার জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন এলাকায় উত্তেজনা দেখতে পেয়ে সেখানে গিয়ে বিষয়টি জানতে চায়, এমতবস্থায় আব্দুল ওয়াহাব বাচ্চার সাথে থাকা লোকজনেরা আলমগীর হোসেনকে চার্জ করতে থাকে এবং বলে তোমার কারণে এসব হয়েছে তুমি এদের লেলিয়ে দিয়েছো।

এলাকাবাসীরা জানান আলমগীরের এখানে কোন সম্পৃক্ততা নেই। এতে তারা কান না দিয়ে আব্দুল ওহাব বাচ্চাসহ তার সাথে থাকা লোকজনেরা ধারালো ও দেশীয়  অস্ত্র দিয়ে আলমগীর হোসেনের মুখে কোপ মারে এতে করে আলমগীর হোসেন (৪৫) চোখের নিচে আঘাতপ্রাপ্ত হলে তার চিৎকারে পাশে থাকা তার দুজন জ্যাঠাতো ভাই হায়বর আলী ৬০ ও  হযরত আলী ৪৫ এগিয়ে এলে তাদেরও বেদম প্রহার করে আব্দুল ওহাব বাচ্ছাসহ তার লোকজনেরা। এতে করে তারা তিনজন হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। এলাকাবাসী ও আত্মীয়-স্বজনরা মিলে তাদের দ্রুত সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তারা গুরুতর আহত হয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আলমগীরের চোখের নিচে পাঁচটি সেলাই পড়েছে। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বিষয়টা নিয়ে মামলা করবেন বলে জানান তারা। 

এ বিষয়ে উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ঘটনাটি শোনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে তারা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

রিপোর্টার্স ২৪/ প্রীতিলতা

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪