| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বিদ্যুতের মূল্য আপাতত বাড়বে না

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ০২, ২০২৫ ইং | ০৯:০৪:০২:পূর্বাহ্ন  |  ২২২৬১৭৭ বার পঠিত
বিদ্যুতের মূল্য আপাতত বাড়বে না
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

স্টাফ রিপোর্টার: বিদ্যুৎ খাতে প্রদত্ত ভর্তুকির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমানোর লক্ষ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সার্বিক ব্যয় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিগুলোও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কমাতে এনার্জি অডিট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে নীতিগতভাবে আমরা বিদ্যুতের মূল্য আপাতত না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। 

 সোমবার জাতীয় বাজেট বক্তৃতায় এসব তথ্য তুলে ধরেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদে। এ সময় তিনি জানান, এ বছরের মধ্যেই অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৬৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করার ও ২০২৮ সালের মধ্যে স্থানীয় কূপ থেকে অতিরিক্ত ১৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

উপদেষ্টা বলেন, মাঠ পর্যায়ে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদনের জন্য সারসহ অন্যান্য উপকরণে প্রয়োজনীয় ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। এছাড়া খাদ্য নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনায় সারের মজুদ বা বাফার স্টক বাড়ানো হয়েছে।  খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। আউশ ও আমন উৎপাদনে ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে ৯ লাখ টন চাল ও ৭ লাখ টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নিই। এর আওতায় ইতোমধ্যে ৮ লাখ ৫০ হাজার টন চাল ও ২ লাখ টন গম আমদানি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমদানির তুলনায় রপ্তানিতে অধিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ক্রমাগত উন্নতি সাধিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের মার্চ মাসের শেষে চলতি হিসাবের ঘাটতি কমে দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। তবে সরকারের কৃচ্ছ্রসাধন নীতি চলমান থাকায় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর গতি কিছুটা শ্লথ হয়ে পড়েছে। ফলে প্রকল্পগুলোর জন্য প্রতিশ্রুত বৈদেশিক ঋণ ছাড়ে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের জুন নাগাদ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর নিকট হতে আরও প্রায় ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেট সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের সময়ে আর্থিক খাতে নজিরবিহীন লুটপাট ও দুর্নীতির ফলে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পায়। বারবার পুনঃতফশিলিকরণের মাধ্যমে আর্থিক খাতের প্রকৃত অবস্থা গোপন রাখা হয়েছিল। কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী লোন লিজ ক্লাসিফিকেশন ও প্রভিশনিং ব্যবস্থা অবলম্বন করেছি। ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২০২৩ সালের জুন মাসের ১০ দশমিক ১১ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ২০ দশমিক ২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। 


রিপোর্টার্স২৪/এসএমএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪