আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ বিলিয়ন (২ হাজার ৫০০ কোটি) মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন-এর অর্থ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা জুলস হার্স্ট।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটি-এর শুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য দেন। শুনানিতে আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে হার্স্ট বলেন, ব্যয়ের এই বিশাল অংশ মূলত সামরিক সরঞ্জাম, অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং যুদ্ধ পরিচালনাসংক্রান্ত লজিস্টিক খাতে ব্যয় হয়েছে।
তিনি আরও জানান, যুদ্ধ পরিচালনার পাশাপাশি সেনা মোতায়েন, গোয়েন্দা তৎপরতা, নজরদারি প্রযুক্তি, জ্বালানি এবং রক্ষণাবেক্ষণ খাতেও বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে। বিশেষ করে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, ড্রোন প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে ব্যয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
শুনানিতে কয়েকজন আইনপ্রণেতা এই ব্যয়ের যৌক্তিকতা এবং ভবিষ্যৎ আর্থিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জবাবে হার্স্ট বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার জন্য এই ব্যয় প্রয়োজনীয় ছিল। তবে দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাজেটের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিপুল ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পৃক্ততার গভীরতা এবং সংঘাতের বিস্তৃত পরিসরের ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি